নয়াদিল্লি : স্কুলে হিন্দি ব্যবহার নিয়ে এমনিতেই বেশ সমস্যায় পড়েছে সিবিএসই বোর্ড। এবার পড়ুয়াদের বই–খাতা বিক্রি চলবে না। বাইরে থেকে লোক এনেও বিক্রিবাটা করা যাবে না। দেশের সমস্ত স্কুলগুলিকে নির্দেশ সিবিএসই’র। অভিভাবকদের কাছে থেকে লাগাতার অভিযোগ পেয়ে এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বোর্ড।

সিবিএসই নিয়ম অনুযায়ী ১৯৫৬ সালের কোম্পানি বিষয়ক আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী সেবামূলক কাজে নিযুক্ত অলাভজনক সংস্থাগুলিই স্কুল চালাতে পারবে। স্কুল কোনও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়। সকলের কাছে উন্নত মানের শিক্ষা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য। তাই স্কুল চত্বরে কোনওরকম ব্যবসা বরদাস্ত করা হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিবিএসই বোর্ড।

বোর্ডের আওতায় থাকা সমস্ত স্কুলগুলিকে নোটিস জারি করে বলা হয়েছে, ‘অভিভাবক ও অংশীদারদের কাছ থেকে বহু অভিযোগ জমা পড়েছে। তাই নতুন নিয়ম চালু করছে বোর্ড। এখন থেকে স্কুলে বই, খাতা, ইউনিফর্ম, ব্যাগ ইত্যাদি বিক্রি করা যাবে না।’ নির্দিষ্ট কোনও ব্যবসায়ীর মাধ্যমে ছাত্র–ছাত্রীদের জিনিসপত্র কিনতে বাধ্য করা চলবে না। সিবিএসই বা এনসিইআরটি অনুমোদিত বই ছেড়ে অন্য বই কেনার জন্য পড়ুয়াদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয় বলেও জানতে পেরেছে বোর্ড।

সিবিএসই’র স্কুল চত্বরে ব্যবসার অভিযোগ বহুদিনের। দুর্নীতি রুখতে সম্প্রতি অনলাইনে এনসিইআরটি অনুমোদিত বই কেনার কথা ঘোষণা করে সিবিএসই। প্রায় ২০০০ স্কুল তাতে সাড়া দিয়েছে বলে জানিয়েছেন মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রকাশ জাওড়েকর।