লন্ডন: কেরিয়ারে ৬০০ উইকেটের মাইলস্টোনের সামনে দাঁড়িয়েও অবসর জল্পনার সম্মুখীন জেমস অ্যান্ডারসন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে দু’ইনিংস মিলিয়ে মাত্র একটি উইকেট। দশকের সবচেয়ে খারাপ টেস্ট পারফরম্যান্সের পর থেকেই দেশের সর্বোচ্চ টেস্ট উইকেট শিকারির অবসর নিয়ে শুরু হয়ে যায় জল্পনা। যদিও সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে জিমি জানালেন, অদূর ভবিষ্যতে থামার কোনও ইচ্ছে তাঁর নেই।

সাউদাম্পটনে আগামী ১৩ অগস্ট থেকে শুরু হতে চলা দ্বিতীয় টেস্টে ছন্দে ফিরতে মরিয়া অ্যান্ডারসন। তাঁর অবসর জল্পনা নিয়ে স্কাই স্পোর্টসে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় ইংরেজ স্পিডস্টার জানিয়েছেন, ‘না, অদূর ভবিষ্যতে অবসরের ইচ্ছে নেই। জানি আমার জন্য হতাশার একটা সপ্তাহ গিয়েছে। আমি একদমই ভালো বল করতে পারিনি। আমি নিজের ছন্দ খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়েছি। গত দশ বছরে সম্ভবত প্রথমবার মাঠে আমি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম। হতাশার বহিঃপ্রকাশ করছিলাম।’ জিমি আরও বলেন, ‘ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে কিছু টেকনিক্যাল সমস্যা হচ্ছিল। পরের দু’দিন কঠোর পরিশ্রমে সেই ভুলভ্রান্তি কাটিয়ে উঠেছি।

ছন্দে ফিরতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছি। আশা রাখছি পরবর্তী ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারব। আমি প্রমাণ করতে চাই আমার মধ্যে এখনও টেস্ট ক্রিকেট এখনও অবশিষ্ট রয়েছে।’ উল্লেখ্য, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে প্রথম ইনিংসে ৬৩ রান দিয়ে এক উইকেট নিলেও দ্বিতীয় ইনিংসে অ্যান্ডারসনের ভাঁড়ার শূন্য। প্রথমদিন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের বাইশ গজে অ্যান্ডারসনের বিরুদ্ধে ২৪টি বল ফেস করেন বাবর আজম। যার মধ্যে ইংরেজ পেসারকে ৬টি নিখুঁত বাউন্ডারি হাঁকান পাক ব্যাটসম্যান। অ্যান্ডারসনের ধার যে অনেকটাই কমেছে, এই ঘটনা তারই প্রমাণ। পাশপাশি টেস্ট ক্রিকেটে সর্বাধিক উইকেট শিকারি পেসারকে ধাক্কা দিচ্ছে ধারাবাহিক চোট।

তবুও ৬০০ উইকেটের মাইলস্টোন থেকে মাত্র দশ ধাপ দূরে দাঁড়িয়েও জিমি কেরিয়ারের শুরু দিকের মতোই সংকল্পবদ্ধ, জাতীয় দলে টিকে থাকার ব্যাপারে জেদী। তাই একটা খারাপ পারফরম্যান্স দিয়ে যখন তাঁকে বানপ্রস্থে পাঠানোর চেষ্টা চলছে, তখন সেই জল্পনাকে ফুঁৎকারে উড়িয়ে দিয়ে অ্যান্ডারসন জানালেন, ‘যত দিন পারব খেলে যাবো।’

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা