নয়াদিল্লি: রেলের পক্ষ থেকে শুক্রবার জানিয়েছে, আগামী দিনে কিছু কর্মীর কাজের প্রোফাইল পরিবর্তন হতে পারে তবে কারও চাকরি যাবে না। এর ঠিক আগের দিনই জাতীয় পরিবহন সংস্থাটি চিঠি ইস্যু করে জেনারেল ম্যানেজারদের বলেছিল নতুন পদ সৃষ্টি করা যাবে না এবং ৫০ শতাংশ শূন্যপদ মুছে দিতে। সংবাদ সংস্থা এমনটাই জানাচ্ছে।

রেলওয়ে বোর্ডের ডিরেক্টর জেনারেল (এইচ আর) আনন্দ এস খাটি অনলাইনে জানিয়েছেন, উপযুক্ত বিন্যাস করা হবে কিন্তু তা ছোট করে দেওয়া হবে না। তার বক্তব্য, এই জাতীয় পরিবহন সংস্থাটিতে প্রযুক্তি প্রয়োগের ফলে কাজের প্রোফাইলের পরিবর্তন ঘটতে পারে। এর ফলে কর্মীদের নতুন করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হতে হবে। তবে কেউ কাজ হারাবেন না।

এই প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, কোন সন্দেহ নেই দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি কর্মী থাকবে ভারতীয় রেলে। বরং অদক্ষ থেকে দক্ষ কর্মীতে রূপান্তরিত করা হবে। গত বৃহস্পতিবারের অর্ডার সম্পর্কে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, কাজ নেই সুরক্ষিত নয় এমন শূণ্য পদ তুলে দেওয়া হবে। যার ফলে রেলের নতুন পরিকাঠামো প্রকল্পে অতিরিক্ত সুরক্ষিত পদ সৃষ্টিতে সহায়তা করতে শুরু করে দিয়েছে।

তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন ধরনের পদে নিয়োগ যেমন চলছিল তেমনই চলবে। যে সব পদের জন্য ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে অথবা বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে সে গুলির উপর কোন প্রভাব পড়বে না। বর্তমানে রেলে কাজ করছেন ১২,১৮,৩৩৫ জন কর্মী আর এদের বেতন এবং অবসরদের পেনশন দিতে রেলের আয়ের ৬৫ শতাংশ বেরিয়ে যায়।

২০১৮ সাল থেকে রেল বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছিল ৭২,২৭৪টি শূন্য পদ রয়েছে সেফটি ক্যাটেগরিতে এবং ৬৮,৩৬৬টি শূন্য পদ ছিল নন সেফটি ক্যাটেগরিতে। যার ফলে ১৪০৬৪০টি শূন্যপদের বিজ্ঞপ্তি বের হয়েছিল।

এদিকে জেনারেল ম্যানেজারদের কাছে পাঠানো চিঠি যা রেলের ফিনান্সিয়াল কমিশনার অনুমোদন করেছিল, তাতে লেখা ছিল নতুন পদ সৃষ্টি বন্ধ, গত দু বছরে যেসব পদ সৃষ্টি করা হয়েছিল তা পর্যালোচনা করা হবে এবং বর্তমান শূন্যপদের ৫০ শতাংশ তুলে দেওয়া হবে। এই পদক্ষেপ করা হবে খরচ যুক্তিসংগত করার এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে।

এই চিঠির কথা জানাজানি হতে রটতে থাকে রেলে কর্মী সংকোচন হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ