কলকাতা: সিএএ-র বিরোধিতা করার ক্ষমতা কারও নেই। অমিত শাহের সভার আগে মঞ্চ থেকে একথা বললেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বিজেপি সরকার কীভাবে সাফল্যের সঙ্গে দেশে একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছে, সেকথা এদিন বর্ণনা করেন তিনি।

মুকুল রায় প্রথমেই তিন তালাকের কথা বলেন। বলেন, ‘তিন তালাক রদ করে মোদী সরকার যেভাবে ভারতীয় মহিলাদের সম্মান দিয়েছে, তার বিরোধিতা করার সাহস কারও নেই।’

এরপরই তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা রদ করার কথা। তিনি বলেন, ‘অনেকে বলেছিলেন কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নিলে রক্তের বন্যা বয়ে যাবে। কিন্তু সেরকম কিছুই হয়নি।’ এই সাফল্যে বিরোধীরা কষ্ট পেয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মুকুল রায়। তিনি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বুক যন্ত্রণায় ছিঁড়ে গিয়েছে, কংগ্রেসের বুক যন্ত্রণায় ছিঁড়ে গিয়েছে।

রাম মন্দিরের কথাও বাদ দেননি একসময়ের তৃণমূলের দাপুটে নেতা মুকুল। তিনি বলেন, ‘সবাই বলেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের রায় মাথা পেতে নেব। আর সুপ্রিম কোর্টই বিতর্কিত জমিতে রাম মন্দিরের পক্ষে রায় দিয়েছে।’ তাই সেই বিষয়েও কেউ বিরোধিতা করতে পারেননি।

এরপরই তিনি আসেন নাগরিকত্ব আইনের কথায়। মোদী-শাহের কথা উল্লেখ করে মুকুল রায় বলেন, কারও নাগরিকত্ব যাবে না। বাংলায় এই আইনের বিরোধিতা হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। সেই প্রসঙ্গে মুকুল বলেন, ‘সিএএ-র বিরোধিতা করার অধিকার কারও নেই, শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্ট ছাড়া। তাঁর মতে, ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়া ভারতের দায়বদ্ধতা।

এদিকে, অমিত শাহের সভার বাইরে এদিন শোনা যায় ‘দেশ কে গদ্দারো কো, গোলি মারো শালো কো’ স্লোগান। গত কয়েকদিনে এই স্লোগান নিয়ে বিতর্ক হয়েছে অনেক। এমনকি দিল্লির বুকে এই স্লোগান দিতে গিয়ে গ্রেফতারও হয়েছে কয়েকজন। এবার সেই স্লোগানই উঠেছে কলকাতায়।