নয়াদিল্লি: ড্রাইভিং লাইসেন্স, ভেহিকল রেজিস্ট্রেশন এমনকী লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়ার জন্যও আর RTO অফিসে যাওয়ার দরকার নেই। অর্থাৎ, বাড়িতে বসে অনলাইনেই এই সব পরিষেবা গ্রাহকেরা নিতে পারবেন বলে নতুন নির্দেশিকায় জানিয়েছে কেন্দ্রীয় পরিবহন ও সড়ক উন্নয়ন মন্ত্রক।

এই নতুন নিয়ম অনুসারে লার্নারের লাইসেন্স পাওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে হবে।অর্থাৎ আবেদন থেকে লাইসেন্স মুদ্রণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে হবে।এছাড়া ইলেক্ট্রনিক্স সার্টিফিকেট, মেডিকেল শংসাপত্র, শিক্ষার্থীর লাইসেন্স, ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর পুনর্নবীকরণের অনলাইনের মাধ্যমে করা যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, এই জাতীয় নির্দেশিকা আনার পিছনে উদ্দেশ্যটি হ’ল নতুন যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াটি যাতে আরও সহজ করা যায়।রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটসের রিনিউ এখন থেকে ৬০ দিন আগে করা যেতে পারে, এ ছাড়া অস্থায়ী রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমাও ১ মাস থেকে বাড়িয়ে ৬ মাস করা হয়েছে।পাশাপাশি সরকার লার্নার্স লাইসেন্সের প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন করেছে। এই নিয়ম অনুসারে আপনাকে ড্রাইভিং পরীক্ষার জন্য আরটিওতে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না, এই কাজ টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে ঘরে বসে অনলাইনে করা যেতে পারে।করোনা মহামারীর কারণে এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।

ক্রমবর্ধমান করোনার সংক্রমণের জন্যে মার্চের শেষের দিকে, সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রক ড্রাইভিং লাইসেন্স , রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটস, ফিটনেস সার্টিফিকেটস, পারমিট ,মোটর গাড়ির নথি রিনিউ-এর মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ জুন ২০২১ করা হয়েছে। মন্ত্রক একটি সার্কুলার জারি করে জানিয়েছে যে, পুরো দেশের করোনার ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে, এই নথিগুলি আগামী ৩০ শে জুন ২০২১ পর্যন্ত বৈধ বলে বিবেচিত হবে।

মিনিস্ট্রি অফ রোড অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট হাইওয়েজ়ের ওয়েবসাইটে একটি রিপোর্টে বলা হচ্ছে, দেশজুড়ে ১০০০-এরও বেশি Road Transport Offices (RTOs) কম্পিউটারাইজড করা হচ্ছে। RTO-র দ্বারা অনলাইনে ইস্যু করা রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স সারা দেশেই বৈধ হবে।এছাড়া মন্ত্রকের তরফে আরও বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় মোটরযান আইন 1988 অনুযায়ী ‘VAHAN এবং SARATHI নামে দুটি সফ্টওয়্যার তৈরি করা হয়েছে। সর্বোপরি এই সফ্টওয়্যার দুটি তৈরি করার পিছনে রয়েছে রাজ্য মোটরযান আইনের কার্যকারিতা এবং কোর প্রডাক্টের কাস্টমাইজেশন-সহ মোট 36টি রাজ্যের চাহিদার সঙ্গে একটা সামঞ্জস্য বজায় রাখা।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।