নয়াদিল্লি: ভারতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার জন্য দায়ী নিজামুদ্দিন মার্কাজে তবলিগি জামাতের অনুষ্ঠান, একাধিকবার এই বক্তব্য উঠে এসেছে সেই অনুযায়ী সিবিআই তদন্ত হবে বলেও জানা গিয়েছিল। তবে সিবিআই তদন্ত করার প্রয়োজন নেই, সুপ্রিম কোর্টকে একটি হলফনামায় তেমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

পাশাপাশি শুক্রবার ওই হলফনামায় এও দাবি করা হয়েছে, মার্চ মাসে নিজামুদ্দিন মার্কাজের তবলিগি জামাতের অনুষ্ঠান হওয়ার নেপথ্যে দিল্লি পুলিশের কোনও ব্যর্থতা নেই।

সুপ্রিম কোর্টকে কেন্দ্রের তরফের হলফনামায় আরও বলা হয়েছে, আইন অনুযায়ী নিজামুদ্দিন সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিদিনের নিরিখে করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি রিপোর্ট যাতে জমা করা যায়।

নিজামুদ্দিন এবং আনন্দ বিহার নিয়ে জনস্বার্থ মামলার শুনানি দু’সপ্তাহ পরে বন্ধ হয়ে যায় কারণ পিটিশনার রিজয়েণ্ডার ফাইলের জন্য সময় চেয়েছেন।

একজন পিটিশনার দিল্লি সরকারে এবং দিল্লি পুলিশের খামতিতে তদন্তের আবেদন জানান হয়, মার্চ মাসে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ যখন শুরু হয়ে গিয়েছে সেই সময় কিভাবে এমন কাজ সম্ভব হল তা জানতে চাওয়া হয়।

তবে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, একটি সম্পূর্ণ রিপোর্ট জমা করতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে নিজামুদ্দিন মার্কাজের প্রধানকে দোষারোপ করা হয়েছে পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতির মাঝেই সোশ্যাল ডিসট্যানসিংয়ের নিয়ম ভাঙার উল্লেখ টানা হয়েছে। তাই এই ঘটনায় আলাদা করে স্বতন্ত্র কোনও তদন্তের প্রয়োজন নেই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আরও বলেছে, “তবলিগি জামাতদের মার্চ মাসের ২১ তারিখ জানানো হয় তাঁদের সকল সদস্যকে এবং বিদেশিদের ফিরে যাওয়ার জন্য। পুলিশের এই নির্দেশকে অমান্য করেছে জামাতিরা”।

মওলানা সাদের বিরুদ্ধে ১৮৯৭ সালের মহামারি আইনে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। দেখা গিয়েছে এই অনুষ্ঠানের পরই দেশে সংক্রমণ একধাক্কায় অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। পরে যা কোভিড-১৯ হটস্পট হয়ে ওঠে।

মে মাসের শুরুর দিকে, দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ তবলিগি জামাতের সঙ্গে যুক্ত ৭০০ বিদেশির কাগজপত্র বাজেয়াপ্ত করেছে, সেখানে ছিল পাসপোর্টও। সব তথ্যের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, এই সকল তবলিগি জামাত সদস্যরা মার্চ মাসে নিজামুদ্দিন মার্কাজের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

প্রসঙ্গত, জুন মাসের ৪ তারিখ প্রায় ১০০০ তবলিগি জামাত সদস্যকে ব্ল্যাক লিস্টে ফেলেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তাঁদের আগামী ১০ বছর ভারতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে জানা গিয়েছে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।