ফাইল ছবি৷

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: চলে গেলেন মৃণালকান্তি দত্ত৷ বাচ্চুদা নামেই তিনি বেশি পরিচিত ছিলেন৷ অবসাদের জেরে বুধবার রাতে তিনি আত্মহত্যা করেন৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর৷ বৃহস্পতিবার তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে৷

যৌনকর্মীর সন্তান মৃণালকান্তি দত্ত৷ তবে, পরবর্তীতে তিনি নিজেই নিজের পরিচয় হয়ে ওঠেন৷ সৌজন্যে অবশ্য পশ্চিমবঙ্গের যৌনকর্মীদের অন্যতম সংগঠন দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটি৷ তিনি কলম ধরেন যৌনকর্মীদের জন্য৷ ট্রান্সজেন্ডারদের জন্যেও তিনি লিখেছেন৷ তাঁর লেখা বইগুলির মধ্যে রয়েছে ‘যৌনকর্মীদের জীবনসত্য’, ‘বৃহন্নলাদের জীবনসত্য’, ‘বাবুদের অন্দরমহল’৷ পত্রভারতী থেকে প্রকাশিত হয় তাঁর লেখা ‘পাখি হিজড়ের বিয়ে’৷ বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছে মৃণালকান্তি দত্তর লেখা ওই সব বই৷ যৌনকর্মীদের আন্দোলনের উপর তিনি আরও একটি বই লিখছিলেন৷ তবে, তা আর শেষ হল না!

শেষের দিকে দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির গবেষণা সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মৃণালকান্তি দত্ত৷ তাঁর মৃত্যুর খবরে শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েন দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটি-র আধিকারিক এবং কর্মীদের প্রায় সকলেই৷  শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েন তাঁর অন্য পরিচিতদের অনেকেও৷ বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি অবসাদে ভুগছিলেন বলে জানা গিয়েছে৷ তবে, এ ভাবে যে শেষ পর্যন্ত তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেবেন, তা কল্পনায়ও আনতে পারেননি তাঁর বিশেষ পরিচিতদের অনেকে৷ মৃণালকান্তি দত্তের মায়ের নাম ছিল ঊষা৷ তাঁর মায়ের নামেই তৈরি হয়েছে যৌনকর্মীদের জন্য ঊষা মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড৷

=======================================

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।