স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। দেশজুড়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ। এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ বাড়ছে সবমহলে। করোনা সংক্রমণের জেরে একাধিক পদক্ষেপ নিল গ্রামীণ হাওড়ার গাদিয়াড়া লঞ্চঘাট কর্তৃপক্ষ।

জানা গিয়েছে, নিয়মিত মাইকিং করে সচেতনতার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি ‘নো মাস্ক, নো টিকিট’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি, থার্মাল স্ক্রিনিংয়েরও কাজ চলছে লঞ্চঘাটের প্রবেশদ্বারে। গাদিয়াড়া লঞ্চঘাটের আধিকারিক উত্তম রায়চৌধুরী জানান, ‘দেশজুড়ে যেভাবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে তাতে অত্যন্ত ভয়ানক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তাই আমরা সচেতন। মাস্ক ছাড়া কোনোভাবেই টিকিট দেওয়া হচ্ছে না। মাস্ক ছাড়া যাত্রীদের লঞ্চে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। সঙ্গে নিয়মিত মাইকিং করে মানুষের কাছে সচেতনতার বার্তা দেওয়া হচ্ছে।’ উল্লেখ্য, নিত্যদিন এই লঞ্চঘাট দিয়ে হাজার-হাজার মানুষ পাশ্ববর্তী পূর্ব মেদিনীপুর জেলার গেঁওখালি ও দক্ষিণ ২৪ পরগণার নুরপুরে যাতায়াত করেন।

এর আগে বন্ধ করে দেওয়া হয় শ্যামপুরের গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্র। গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্র পরিচালনা করে হাওড়া জেলা পরিষদ। হাওড়া জেলা পরিষদ সূত্রে খবর মেলে, করোনা সংক্রমণের জেরে বুধবার থেকে আগামী ১৫মে পর্যন্ত গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তৎকালীন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে উল্লেখযোগ্য স্থান করে নিয়েছে গ্রামীণ হাওড়ার এই পর্যটনকেন্দ্র। নদী তীরবর্তী বিস্তীর্ণ স্থানে গড়ে উঠেছে গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্র। ফি-বছর বহু মানুষ এখানে আসেন। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জেরে এবার তা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল হাওড়া জেলা পরিষদ।

জাঁকিয়ে বসেছে করোনার সংক্রমণ। সেকেন্ড ওয়েভ তান্ডব চালাচ্ছে দেশজুড়ে। এই অবস্থায় সংক্রমণ রুখতে আগামী ১৫ মে পর্যন্ত কেন্দ্রের আওতাধীন অর্থাৎ ‘আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার’ (ASI) দ্বারা সুরক্ষিত সমস্ত জাদুঘর, স্মৃতিসৌধ এবং মন্দিরের দরজা দর্শকদের জন্য আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

এই বিষয়ে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সংস্কৃত এবং পর্যটন দফতরের মন্ত্রী প্রহ্লাদ প্যাটেল একটি টুইট করে জানিয়েছিলেন, ‘দেশে যেভাবে করোনা বাড়ছে তাতে এএসআই – এর নির্দেশে আগামী ১৫ মে পর্যন্ত কেন্দ্রের আওতাধীন সমস্ত মন্দির, মসজিদ, মনুমেন্ট এবং জাদুঘর বন্ধ রাখা হবে। পরবর্তী নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। এর মধ্যে ৩,৬৯৩ টি স্মৃতিস্তম্ভ এবং ৫০ টি জাদুঘর রয়েছে।’ পর্যটন মন্ত্রকের মিডিয়া উপদেষ্টা নিতিন ত্রিপাঠি জানিয়েছিলেন, ‘পুরীর জগন্নাথ মন্দির এবং সোমনাথ মন্দিরের মতো সরাসরি প্রতিদিন পুজোপাঠ অনুষ্ঠিত হবে। তবে কোনও ভক্ত জনসমাগমের অনুমতি দেওয়া হবে না।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.