Sexual Harrasment SC

লখনউ: সুপ্রিমকোর্ট থেকে বড়সড় স্বস্তি পেল যোগী সরকার। পাঁচ শহরে লকডাউনের যে আদেশ এলাহাবাদ আদালত দিয়েছিল তাতে স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। ফলে আপাতত উত্তরপ্রদেশের পাঁচ শহরে চাপানো হচ্ছে না লকডাউন।

করোনার জেরে রীতিমতো ত্রাহিমাম অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে উত্তরপ্রদেশে। গোটা রাজ্যজুড়েই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। লখনউ থেকে বারাণসী, কানপুর থেকে গোরখপুর সর্বত্র ছবিটা একই রকম। অবস্থা বিবেচনা করে প্রয়াগরাজ, বারাণসী, লখনউ, কানপুর ও গোরখপুরে লকডাউন জারি করার নির্দেশ দিয়েছিল, এদিন সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল যোগী সরকার। আর সুপ্রিম কোর্টের রায় গেল যোগী সরকারের পক্ষেই।

সুপ্রিম কোর্টে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা দাবি করেন, লকডাউনের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণই প্রশাসনের এক্তিয়ারভুক্ত, সেখানে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই বলে জানান তিনি। সুপ্রিম কোর্টও তেমনই রায় দেয়। কড়া করোনা বিধিকে কোনোভাবেই ‘সম্পূর্ণ লকডাউন’ বলা যাবে না বলে এদিন জানিয়ে দেওয়া হয় দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়াদালতের তরফে।

অন্যদিকে দেশজুড়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ। দেশের অন্য রাজ্যগুলির পাশাপাশি তেলেঙ্গনাতেও মাত্রাছাড়া সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যবাসীর স্বার্থে সরকারের তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তেলেঙ্গনা হাইকোর্ট। করোনার সংক্রমণ মোকাবিলায় লকডাউন না কারফিউ কোনটা জারি করতে চায় সরকার? সোমবারই এই প্রশ্ন তোলেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিমা কোহলি ও বিচারপতি বি বিজয়সেনের বেঞ্চ। রাজ্য সরকারকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রশ্নের জবাব দিতে বলে তেলেঙ্গনা হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের কড়া মনোভাবের আঁচ পেয়েই তড়িঘড়ি পদক্ষেপ নেয় তেলেঙ্গনা সরকার। মঙ্গলবার সকালেই নাইট কারফিউ জারির ঘোষণা তেলেঙ্গনা সরকারের। আজ রাত ৯টা থেকে রাজ্যজুড়ে নাইট কারফিউ জারির ঘোষণা করা হয়েছে। রাত ৯টা থেকে শুরু হয়ে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত নাইট কারফিউ চলবে বলে জানানো হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে।

উল্লেখ্য, সারা দেশে করোনার মামলা প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংক্রমণ একেবারে লাগামছাড়া হয়ে উঠেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৫৯ হাজার ১৭০ জন। মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৭৬১ জনের। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ৫৩ লক্ষ ২১ হাজার ৮৯ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৮০ হাজার ৫৩০ জনে। অ্য়াক্টিভ মামলার সংখ্যা ২০ লক্ষ ৩১ হাজার ৯৯৭। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৭৬১ জন। এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থতার সংখ্যা ১ কোটি ৩১ লক্ষ ৮ হাজার ৫৮২। করোনাকে ঠেকাতে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে টিকাকরণ প্রক্রিয়া। এখনও পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে দেশের ১২ কোটি ৭১ লক্ষ ২৯ হাজার ১১৩ জনকে। মঙ্গলবারের রিপোর্ট অনুযায়ী আক্রান্তের সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা হলেও কম। করোনার এই ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতিতে এটুকুই যা সাময়িক স্বস্তি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.