মুম্বই : আমের মরসুম চলে এসেছে। কিন্তু যারা বিদেশে আম রফতানি করেন। তাঁদের মাথায় হাত পড়েছে। কারণ, করোনা। যার জেরে টানা দু’বছর মার্কিন মুলুকে যাবে না এমনটাই জানা গিয়েছে ভারতের আম রফতানিকারক ব্যবসায়ীদের থেকে। ফলে গত বছরের মতো এই বছরেও মার্কিন রিটেল বাজারে পাওয়া যাবে না আম।

জানা গিয়েছে, দুই সরকারের পক্ষ থেকেই এই বিষয়ে গাফিলতি রয়েছে। কোনও পক্ষই রফতানির বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি, যার ফল মার্কিন বাজারে আম রফতানি দ্বিতীয়বারের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়া। বিগত কয়েক বছরে এই ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি হয়েছিল। সেই পথে টানা দু’বছর বাধা পড়ল। যারা রফতানি করেন তাদের জন্যও যা মোটেই সুখকর নয়।

ভারতীয় আম আমেরিকার বাজারে প্রথম প্রবেশ করে ২০০৭ সালে। ২০১১ সাল পর্যন্ত এই রফতানি তেমন বড় আকার ধারণ করতে পারেনি। তবে তারপরের বছরগুলিতে ভারতের আম ব্যবসায়ীর ব্যাপক লাভ করতে শুরু করেন। মার্কিন বাজারে ছেয়ে থাকত ভারতের বিখ্যাত সব আম। ব্যাপক চাহিদা ছিল। ২০২০ সাল থেকে করোনার থাবায় তা বড় ধাক্কা খেয়েছে। এই বছর নিয়ে তা দু’বছর হল।

ঘটনা হল ভারত থেকে যখন আম মার্কিন মুলুকে যায় তার আগে একটা পদ্ধতি থাকে যার নাম ‘ইরেডিয়েশন’। এই পদ্ধতিতে প্রত্যেক রফতানি হওয়া পণ্যের গুনগত মান বিচার করা হয়। বেছে বেছে ভালো জিনিস পাঠানো হয় রফতানির জন্য। রেডিও এক্টিভিটির মাধ্যমে এই কাজ করা হয়। নভি মুম্বইয়ের ভাসি বাজারে এই কাজ হয়। আমেরিকা থেকে একজন ফাইটোস্যানিটারি ইন্সপেক্টর আসেন। তিনি পুরো বিষয়টি খুঁটিয়ে নিরীক্ষণ করেন। অতিমারী শুরু হওয়ার পর থেকে, সে দেশ থেকে ভারতে কোনও বিশেষজ্ঞ আসছেন না ফলে ওই কাজ না হওয়ায় আমেরিকাতে আম পৌঁছনোর পথ বন্ধ হয়। যাওবা বেশ কিছু দিন করোনার প্রভাব কম ছিল, আমি রফতানিকারীরা ভেবেছিলেন গরমে এবার আবার আমি পাড়ি দেবে মার্কিন মুলুকে।

কোথায় কী! ভারতে করোনা কিলবিল করছে। এমন সময়ে কে আসবে এই কাজ করতে। ফলে মহা সমস্যায় আম রফতানকারীরা। আশা করছেন ভরা মরসুমের দিকে যদি করোনা কমে তবে তাদের কিছু হাল হতে পারে। অভিযোগও আছে। রফতানিকারকদের অভিযোগ মার্কিনের আপেল যখন ভারতে আসে তখন ভারতের কোনও ইন্সপেক্টর সেখানে উপস্থিত থাকেন না। যা আসে সবটাই নিয়ে নেওয়া।হয়। প্রসঙ্গত শুধু আমেরিকার জন্য এই সমস্যা নয়। দেড় কোটি এক্সপোর্ট হওয়া আমের বদলে মাত্র এক লক্ষ আম সারা বিশ্বের জন্য রফতানি করা হয়েছে এই বছর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.