শ্রীনগর: সকাল থেকেই অবিশ্রান্ত গুলির শব্দ৷ একের পর এক মর্টার হানা৷ বন্ধ স্কুল কলেজ৷ বাজার দোকান বন্ধ৷ জীবন এভাবেই থেমে থাকে উপত্যকায়৷ এভাবেই সকাল হয়, দিন যায়, রাত আসে৷ ভারত পাক অশান্তিতে নাভিশ্বাস তোলে কাশ্মীর৷ কেন্দ্র তখন ব্যস্ত কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বানাতে, ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নিজেদের বীরত্ব ছড়িয়ে দুনিয়ার ক্ষমতাশীল দেশগুলোকে তাক লাগাতে৷

তবে এত বোঝেনা ওই খেটে খাওয়া মানুষগুলো৷ তাঁরা চায় প্রাণটা বাঁচুক৷ দুধে ভাতে না থাকলেও, তাদের সন্তানরা যেন দুনিয়ার আলোটুকু প্রাণ ভরে পায়৷ সেনার বুটের শব্দে আতঙ্কের ছবিটা পালটাক কাশ্মীর জুড়ে৷ বাঁচতে চায় তাঁরা৷ শুধু প্রাণটুকু রক্ষা করা ছাড়া কোনও দাবি নেই তাঁদের৷ আর তাই কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করা হল কীনা তা নিয়ে বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই আম কাশ্মীরির৷

আরও পড়ুন : কাশ্মীর ইস্যুতে ভুল তথ্যে কড়া শাস্তি, সংবাদমাধ্যমকে সতর্কতা কেন্দ্রের

তাঁরা চান পাক মর্টার শেলিং থেকে বাঁচতে সীমান্তের গ্রামগুলিতে আরও বাঙ্কার তৈরি করুক ভারতীয় সেনা৷ যেখানে মাথা গুঁজে প্রাণটা বাঁচাবেন কাশ্মীরিরা৷ কাশ্মীরের আলাদা ছবি দেখতে চান এই সব মানুষ, যেখানে দুবেলা পেট ভরে খাবার জুটবে, ভাষণ নয়৷

স্থানীয় ব্যবসায়ী মহম্মদ মকবুলের কথায় যেন সেই সুর৷ তিনি বলেন আর্টিকল ৩৭০ কি জিনিস জানি না৷ শুধু বুঝি উপার্জন করতে হবে পরিবারকে বাঁচাতে হবে৷ আমাদের পাকিস্তানিদের হাত থেকে বাঁচানো হোক৷ ভারতীয় সেনা তৈরি করুক আরও বাঙ্কার, যেখানে ঠাঁই নিতে পারবেন সাধারণ কাশ্মীরিরা৷