ফাইল ছবি।

নয়াদিল্লি: সামনেই দেশ জুড়ে উৎসব। কোথাও নবরাত্রি, কোথাও দুর্গাপুজো। সাথে রয়েছে দশেরা। এরই মধ্যে মাস ধরে উৎসবের মরশুমে করোনা আবহ চোখ রাঙাচ্ছে। দেশে ক্রমশ বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এই প্রেক্ষিতেই দেশের সাধারণ মানুষের জন্য সতর্কবার্তা জারি করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।

রবিবার তিনি বলেন কোনও ধর্মের ভগবানই ভিড় করে সমবেত হয়ে প্রার্থনায় বিশ্বাস করেন না। মনের ভক্তি প্রমাণ করার জন্য সমবেত হওয়ার দরকার পড়েনা। তাই করোনা কালে পুজো হলেও, উৎসব হলেও বাড়িতে থাকুন। বাইরে বেরিয়ে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াবেন না।

ধর্মাচারণের সঙ্গে উৎসব করার কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সতর্কবার্তা উৎসব করে ভিড় বাড়িয়ে নিজের ও অন্যের ঝুঁকি বাড়ানো মোটেও বুদ্ধিমানের লক্ষ্মণ নয়। কেন্দ্রের তরফ থেকে যে সতর্কবার্তা ও নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে, তা মেনে চলুন। ভক্তি প্রমাণ করার প্রয়োজন পড়ে না। তা একান্ত ব্যক্তিগত।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন কেরলে ওনাম উৎসবের পর সংক্রমণের হার বেড়েছে ৬০ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় কেরলে একসঙ্গে সংক্রমিত হয়েছেন ১১,৭৫৫ জন। শুধু কেরল নয়, অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, তেলেঙ্গানায় গণেশ চতুর্থীর পরে সংক্রমণের হার বেড়েছে ৫০-৬০ শতাংশ। সেই একই পথে হাঁটতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গও। তাই সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এদিকে, দেশে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। শেষ ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হলেন আরও ৭৪ হাজার ৩৮৩ জন। এই সময়ের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে আরও ৯১৮ জনের।

নতুন সংক্রমণ ও মৃত্যুর জেরে দেশে মোট সংক্রমণের সংখ্যা এখন দাঁড়িয়েছে ৭০ লক্ষ ৫৩ হাজার ৮০৭এ। এরমধ্যে অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ৮ লক্ষ ৬৭ হাজার ৪৯৬ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছে ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৯৭৭ জন। দেশজুড়ে করোনার দাপটে এখন অবধি মৃত্যু হয়েছে ১ লক্ষ ৮ হাজার ৩৩৪ জনের।

এরই মধ্যে সম্প্রতি সামনে এসেছে একটি নতুন রিপোর্ট। যেখানে বলা হচ্ছে যেসব ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন, পরে সুস্থ হয়েছেন, আগামী চার মাস তাঁদের আর করোনা হওয়ার আশঙ্কা নেই। এমনই তথ্য দিচ্ছে বিশেষ রিপোর্ট। বিজ্ঞানীরা বলছেন সুস্থ হওয়ার পরের চার মাস পর্যন্ত সুরক্ষিত থাকবেন তাঁরা। নতুন করে করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তাঁদের নেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।