নয়াদিল্লি: উৎসবের মরশুম শেষ হতেই আনলক নিয়ে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্র। জানানো হল নতুন কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।

অর্থাৎ আনলক ৬-এ নতুন কিছু খোলার সম্ভাবনা নেই। এর আগে সেপ্টেম্বরে এই নির্দেশিকা ঘোষণা করা হয়েছিল, সেটাই বহাল থাকবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।

মঙ্গলবার আনলক-৬ সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। এর মাধ্যমে আনলক-৫ এ যেগুলি ফের খোলার জন্য নির্দেশিকা জারি হয়েছিল, তার মেয়াদ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর আনলক ৫ এর নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এদিন জানিয়েছে, কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত লকডাউন জারি থাকবে। ব্যক্তি ও জিনিসপত্রের বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে চলাচলের ক্ষেত্রে কোনও বিধিনিষেধ থাকবে না। এরজন্য আগের মতোই অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

আনলক-৫ এর নির্দেশিকা অনুসারে, সিনেমাহল, স্কুল,রাজনৈতিক সভা সমাবেশ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছিল। সুইমিং পুল আগের মতোই বন্ধ থাকবে।

অন্যদিকে, দেশে ক্রমে ক্রমে নীচের দিকে নামছে সংক্রমণের মাত্রা। শেষ ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হলেন ৩৬ হাজার ৪৬৯ জন। এই সময়ের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪৮৮ জনের।

নতুন করে সংক্রমণ ও মৃত্যুর জেরে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৭৯ লক্ষ ৪৬ হাজার ৪২৯। মোট মৃত্যু হয়েছে ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৫০২ জনের।

দেশে এই মুহূর্তে অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ৬ লক্ষ ২৫ হাজার ৮৫৭ টি। দেশজুড়ে মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭২ লক্ষ ১ হাজার ৭০ জন। বিগত কয়েকদিন ধরে নীচের দিকে নামছে অ্যাক্টিভ সংক্রমণের সংখ্যা। যা যথেষ্ট ভালো ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে করোনা পরিস্থিতিতে শীত আশায় অনেকেই আশঙ্কিত। বিশেষ করে চিন্তিত ডাক্তাররা। ‘ট্যুইনডেমিক’-এর সংক্রমণের আশঙ্কায় ডাক্তাররা। করোনা আতংকের মধ্যেই নতুন করে চিন্তা বাড়ছে ‘ট্যুইনডেমিক’ নিয়ে।

ডাক্তাররা মনে করছেন যে, বহু মানুষ একইসঙ্গে করোনা ও ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্ত হতে পারেন। যার ফল আরও মারাত্মক হতে পারে বলে আশঙ্কায় ডাক্তাররা। ডাক্তাররা বলছেন যে, হাঁচি-কাশি ‘ট্যুইনডেমিক’-এর উপসর্গ বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বহু মানুষের মধ্যে এই ‘ট্যুইনডেমিক’ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা ডাক্তারদের।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।