কলকাতা: বায়ুদূষণ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়, যা করোনা রোগীর জন্য আরও মারাত্মক হতে পারে৷ তাই এবার কালীপুজোয় বাজি না ফাটানোর আবেদন করেছে রাজ্য সরকার৷

মঙ্গলবার নবান্নে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন,‘কোভিড রোগীর পক্ষে বায়ুদূষণ মারাত্মক। তাই কালীপুজোয় বাজি ফাটাবেন না। করোনা আবহে বাজি থেকে দূরে থাকুন।’

তিনি আরও বলেন, দুর্গাপুজোয় মতই মণ্ডপের চারপাশ যেন খোলা রেখে কালীপুজো করতে হবে৷ পুলিশের সঙ্গে কথা বলেই কালীপুজো বিসর্জন করতে হবে৷ তবে বিসর্জনে শোভাযাত্রা করা যাবে না৷ মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক৷

অভিযোগ, প্রতিবছর কালীপুজোর সময় ব্যাপক বাজি ফাটানো হয়৷ এমনকি শব্দ বাজির তান্ডবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেন সাধারণ মানুষ৷ মানুষের মত পশু পাখিদেরও ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয় শব্দ বাজির তান্ডবে৷ গত বছর থেকে বাজি পোড়ানোর সময় বেধে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট৷ সেই সময়ের বাইরেও দেদার শব্দবাজি ফাটানো হয়েছে বলে অভিযোগ৷

এ বছর পরিস্থিতি আলাদা৷ বাজি ফাটানো হলে এমনতেই বায়ুদূষণ অনেক গুন বেড়ে যায়৷ তার ওপর এবার করোনা পরিস্থিতি৷ তাতে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন কালীপুজোর বাজি ফাটানো হলে করোনা রোগীর পক্ষে তা আরও মারাত্মক হবে৷ এমনিতেই শীতে আরও করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা৷

এদিকে লক্ষ্মীপুজো থেকেই শহর ও শহরতলিতে কোথাও কোথাও শব্দ বাজি ফাটানো হচ্ছে বলে অভিযোগ৷ পুলিশ বলছে অন্য কথা, শব্দ বাজি ফাটানোর কোনও অভিযোগ তাদের কাছে নেই৷

এদিকে করোনা মহামারিতে রাজস্থান সরকার উৎসবের মরসুমে বাজি পটকা বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করল৷

রবিবার করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট জানান, এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে মানুষের জীবন রক্ষা করা সরকারের প্রথম কাজ। পাশাপাশি তিনি জানান, সরকার ১৬ নভেম্বর অবধি রাজ্যের স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

উল্লেখ্য, এদিন রাজ্য সরকারের “নো মাস্ক-নো এন্ট্রি” এবং “ওয়ার ফর দ্য পিওর” অভিযান এবং করোনা ভাইরাস সঙ্কটের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি খুঁটিয়ে পর্যালোচনা করছিলেন গেহলট।

রাজ্য জুড়ে আতশবাজি বিক্রির ওপর কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজস্থান সরকার। এছাড়া দূষণ বিধি না মানা নানান যানবাহনের বিরুদ্ধেও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্যই এ ধরনের পদক্ষেপ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।