স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া : আমফানের পরে এক সপ্তাহ অতিক্রান্ত। তবুও এখনও দেখা মেলেনি বিদ্যুতের। কলকাতার পাশাপাশি হাওড়াতেও এবার বিদ্যুতের দাবিতে বিভিন্ন স্থানে শুরু হচ্ছে বিক্ষোভ। অন্যতম বাগনান। সেখানে বিদ্যুতের দাবিতে মানুষ পথে নামলেন।

গ্রামীণ হাওড়ার বাগনান-১ ব্লকের আগুন্সী গ্রামের বেশ কিছু বিক্ষুব্ধ মানুষ।তাঁদের পক্ষ থেকে আজ রাত ৯ টা নাগাদ আমতা-বাগনান রোডে গাছের গুঁড়ি ফেলে প্রায় আধঘন্টা অবরোধ করা হয়। অবরোধকারীদের অভিযোগ,বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুৎ ফিরলেও আগুন্সী গ্রামে দেখা মিলছে না বিদুৎ কর্মীদের।

তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই পথে নেমেছেন গ্রামবাসীরা।ঘটনাস্থলে স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান ও বাগনান থানার পুলিশ এসে দ্রুত বিদ্যুৎ কর্মীদের গ্রামে পাঠানোর আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।অবিলম্বে বিদ্যুৎ না এলে আবারও পথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অবরোধকারীরা।

একই অবস্থায় দক্ষিণ কলকাতার বহু এলাকা। জল-বিদ্যুতের দাবিতে বিভিন্ন জায়গায় দফায় দফায় চলছে বিক্ষোভ-অবরোধ। রাস্তা থেকে গাছ সরানো হয়েছে অনেক জায়গায়, তবে বহু এলাকা আগের মতোই বিদ্যুৎহীন। বিদ্যুৎ না থাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল মেটিয়াবুরুজ এলাকায়। মাথা ফাটল এলাকার বিধায়ক আবদুল খালেদ মোল্লার। আমফানের তাণ্ডবের পর থেকেই ওই এলাকা বিদ্যুৎহীন। তা নিয়ে মাঝেমধ্যেই ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়াচ্ছিল। মঙ্গলবার তা চরম আকার নেয়।

মেটিয়াবুরুজের কাঞ্চনতলা এলাকায় পৌঁছন বিধায়ক আবদুল খালেদ মোল্লা। তারপরেই শুরু হয় ব্যাপক ইটবৃষ্টি। মাথা ফাটে বিধায়কের। বন্দর এলাকার চার-পাঁচটি থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে যান পদস্থ পুলিশ কর্তারাও। এখনও ওই এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বিধায়ককে। বেহালা, বাঘাযতীন, গড়িয়া, নেতাজিনগর, টালিগঞ্জের একাংশে বিদ্যুৎ না আসায় সেখানেও চলছে বিক্ষোভ।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।