নয়াদিল্লি : দেশের প্রতিটি রাজ্য সমান ভাবে ভ্যাকসিন পাবে। কারোর সঙ্গে কোনও বৈষম্য করা হবে না। বুধবার এই বার্তা দিয়ে আশ্বস্ত করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। প্রতিটি রাজ্যে সম পরিমাণে বন্টন করা হবে করোনা ভ্যাকসিন বলে জানিয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। প্রাথমিক ভাবে ১.৬৫ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। এই ডোজ বন্টন করা হবে রাজ্যগুলিতে।

বিভিন্ন রাজ্যে করোনা ভ্যাকসিন পৌঁছনোর পর মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপে বলেন, তাঁদের প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট কম ভ্যাকসিনের ডোজ এসে পৌঁছেছে। এরপরেই কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বিবৃতি জারি করে একথা জানিয়ে দেওয়া হয়।

প্রথম দফায় রাজ্যগুলির স্বাস্থ্যকর্মীদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকা ধরেই প্রতিটি রাজ্যে ভ্যাকসিন পৌঁছবে। জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘‘আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে টিকাকরণ কর্মসূচি৷ সবার আগে টিকা দেওয়া হবে কোভিড যোদ্ধাদের৷’’ টিকা তৈরি হওয়ার পর সবার আগে দেশের জনগণকে দেওয়া হবে৷ পরবর্তী ধাপে তা পৌঁছে দেওয়া হবে বিদেশে৷

এদিন দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রথম ধাপে ৩কোটিরও বেশি মানুষ ভ্যাকসিন পাবেন। স্বাস্থ্যকর্মীদের বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশ করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের ভূমিকার জন্য গর্বিত। আসল যোদ্ধার মতো কাজ করেছেন তাঁরা। তাঁদের জন্যই বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত ভারতে করোনা ছড়াতে পারেনি। একযোগে কাজ করেছেন প্রত্যেকে। সচেতনতা বজায় রেখেছেন। কেন্দ্রের সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত দেশকে বহু প্রাণহানি থেকে বাঁচিয়েছে।

ইতিমধ্যে অবশ্য কেন্দ্রের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে ১৬ জানুয়ারি অর্থাৎ আগামী সপ্তাহ থেকেই ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাচ্ছে। শনিবার মোদীর সঙ্গে এক বৈঠকের পর এই ঘোষণা করা হয়। ভারতে ইতিমধ্যেই এমার্জেন্সি অথরাইজেশন বা জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে অক্সফোর্ডের ‘কোভ্যাক্সিন’ যা ভারতে সেরাম ইন্সটিটিউটে তৈরি হয়েছে ও ভারত বায়োটেকের তৈরি ‘কোভিশিল্ড।’ ফলে এগুলি যে খুব তাড়াতাড়ি সাধারণ মানুষকে দেওয়ার ক্ষেত্রে অনুমোদন পাবে, এমনটাই আশা করা যাচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।