লখনউ: গত দু’দশক ধরে খোঁজ চলছিল। অবশেষে আসল সাফল্য। মাটির নীচে খোঁজ মিলল বিশাল সোনার খনির। যোগীর রাজ্য উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রে জেলায় মিলেছে স্বর্ণখনির সন্ধান। শুক্রবারের এই খবরে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছিল যোগীর রাজ্য থেকে শুরু করে গোটা দেশে। তবে সেসব সম্ভাবনাকে ভ্রান্ত বলে জানালেন জিএসআই ডিরেক্টর জেনারেল এম শ্রীধর।

উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রে জেলার কোনও সোনার খনি থেকে ৩০০০ টন সোনার সন্ধান মেলেনি। শুক্রবারের উত্তাল করা খবরের পর এদিন সন্ধ্যায় একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করলেন এম শ্রীধর।

শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় ‘পিটিআই’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সোনভদ্রে জেলা থেকে ঠিক কতটা সোনা পাওয়া গিয়েছে সেই সংক্রান্ত কোনও তথ্যই জিএসআই’র কাছে নেই। জেলার খনি আধিকারিক কোথা থেকে এই সমস্ত তথ্য পেয়েছেন তাও জানা নেই।”

এদিন তিনি আরও বলেন, ”সোনার সন্ধানে এই জেলায় গত ১৯৯৮-১৯৯৯ এবং ১৯৯৯-২০০০ সাল পর্যন্ত খননের কাজ চালানো হয়েছিল জিএসআই’র তরফে। এবং পরে যাতে আরও খনন কার্য চালানো যায় সেই মর্মে একটি রিপোর্টও পাঠানো হয়েছিল রাজ্যের ডিজিএম’কে।

তিনি বলেন, ”ওই অঞ্চলে সোনার সন্ধানে অনেকদিন ধরেই কাজ করছে জিএসআই। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও রকম সোনার হদিশ মেলেনি।” তবে এই বিষয়ে সোনভদ্রে জেলার খনি আধিকারিক কে.কে রায় গত শুক্রবারদিন বলেন, ”এখনও পর্যন্ত এই জেলায় কোনও সোনার খনির সন্ধান মেলেনি। তবে পার্শ্ববর্তী অঞ্চল সোনপাহাড়ি এবং হারদি এলাকায় বেশকিছুটা সোনার খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার তরফে অনুমান করা হচ্ছে যে, সোনাপাহাড়ি এলাকা থেকে ২,৯৪৩.২৬ টন সোনা উদ্ধার করা হয়েছে এবং হারদি মাঠ এলাকা থেকে ৬৪৬.১৬ টন সোনা উদ্ধার হয়েছে।