নয়াদিল্লি: আশা করা হয়েছিল, স্বস্তির বার্তা মিলতে পারে। কিন্তু শুক্রবারের ঘণ্টা দুয়েকের বৈঠকে তেমন কোনও সিদ্ধান্ত হল না যাতে টেলিকম সংস্থাগুলির আর্থিক সংকট মেটে ৷ টেলিকম দফতরের (ডট) সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক শাখা ডিজিটাল কমিউনিকেশন্স কমিশন (ডিসিসি) এই টেলিকম সংস্থাগুলির আর্থিক সংকট মেটানো জন্য কোনও ত্রাণের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারল না ।

ডটের নিয়মানুসারে আয়ের নতুন হিসেবের (এজিআর) ভিত্তিতে টেলি সংস্থাগুলিকে তাদের বকেয়া স্পেকট্রাম ও লাইসেন্স ফি মেটাতে দেশের সর্বোচ্চ আদালত তিন মাস সময় দিয়েছে। মোট প্রায় ১.৪৭ লক্ষ কোটি টাকা পাওনা মেটাতে হবে। এই বৈঠকের আগে ভোডাফোন আইডিয়া ফের কেন্দ্রের কাছে কাতর আর্জি জানায়, জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ না-মিললে তাদের সংস্থার ঝাঁপ বন্ধ করতে হবে। এ দিনও টেলিকম সচিব অংশু প্রকাশের সঙ্গে দেখা করেন সংস্থার কর্তা রবীন্দ্র টক্কর। এর আগেই অবশ্য এই শিল্পের আর্থিক সমস্যা ও সাহায্যের বিস্তারিত প্রস্তাব দিয়ে টেলি সচিবকে চিঠি দিয়েছিলেন সিওএআইয়ের ডিজি রাজন ম্যাথুজ়ও।

টেলিকম দফতরের কর্তারা ছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রকের আমলা, নীতি আয়োগের সিইও প্রমুখ ডিসিসির সদস্য হাজির ছিলেন বৈঠকে। এই দিনের বৈঠকের পরে অবশ্য ডটের কর্তাদের দাবি করেন, এজিআর ও বকেয়া নিয়ে কোনও কথা হয়নি বরং বিভিন্ন প্রকল্পের যৌথ উদ্যোগ ও ভারত নেট প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে ৷ যা শুনে অনেকের অভিমত, আগে তো সংস্থাগুলিকে বাঁচাতে হবে তবে তো টেলিকম প্রকল্প হবে৷

যদিও বৈঠকে উপস্থিত থাকা ভিন্ন সূত্রের দাবি, এদিন এজিআর নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে ডট সংস্থাগুলির কাছ থেকে এজিআর সংক্রান্ত আরও তথ্য চায়৷ ফলে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারা যায়নি। তবে এি বৈঠকে কোনও সিদ্ধান্ত না-হওয়া নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি ভোডাফোন, এয়ারটেল বা সিএওআই।