তেহরান: বহুচর্চিত চাবাহার-জাহেদান প্রজেক্ট নিয়ে সম্প্রতি নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। ভারতকে এই প্রজেক্ট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, এমন প্রেক্ষিতেই পুনরায় বিষয়টি উত্থাপিত হওয়া এমন দাবি একধাক্কায় উড়িয়ে দিয়েছে ইরান।

ইরান বন্দরের এক আধিকারিক ফারহাদ মন্টাসের জানিয়েছেন, “এমন দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা কারণ চাবাহার-জাহেদান রেলওয়ে প্রজেক্ট নিয়ে ভারত-ইরানের কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি”। এই তথ্য দিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

ইরানের সংবাদসংস্থাকে ফারহাদ জানান, “ভারতীয়দের সঙ্গে চাবাহারে লগ্নি নিয়ে দুটি এগ্রিমেন্ট হয়েছে, একটি বন্দরের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এবং সরঞ্জাম সংক্রান্ত এবং দ্বিতীয়টি এই প্রজেক্টে ভারতের ১৫০ মিলিয়ন ডলার লগ্নি সংক্রান্ত”। সেখানে চাবাহার প্রজেক্টে ইরান-ভারত সহযোগিতার কোনও উল্লেখ নেই।

জানা গিয়েছিল, ইরানের চাবাহার বন্দর থেকে জেহেদান পর্যন্ত একটি রেলপথ তৈরির প্রকল্পের অংশীদার ছিল ভারত। তবে ইরানের স্পষ্ট বক্তব্য, ভারতের সঙ্গে ইরান যেই দুটি চুক্তি করেছে তা হল চাবাহার বন্দরের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত। তাতে রেল প্রকল্প নেই।

ইরানের সঙ্গে ২৫ বছরের একটি বড়সড় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে চিন। যে চুক্তির মূল্য, ৪০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই চুক্তির ফলে ভারতকে আরও বেশি করে ঘিরে ধরল চিন।

বালোচিস্তান ও করাচির বন্দর তো আগেই ছিল। এখন ভারতের বন্ধু রাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে নতুন করে বন্ধুত্ব গড়ে তুলে চিন ভারতকে বুঝিয়ে দিল যে বাণিজ্যিক যুদ্ধে দিল্লিকে কিঞ্চিচ জমি ছাড়তে রাজি নয় বেজিং।

উল্লেখ্য চাবাহার-জাহেদান রেলওয়ে প্রজেক্টে ৬২৮ কিলোমিটার রেল লাইন তৈরি হওয়ার কথা, যা জাহেদান ও চাবাহারকে যুক্ত করতে যাবে সিস্তান ও বালোচিস্তানের উপর দিয়ে। গালফ অফ ওমানে চাবাহারই ইরানের একমাত্র বন্দর।

‘ইসলামিক রিপাবলিক রেলওয়েজ’-এর পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২১-এর মার্চ মাসের মধ্যে ১৫০ কিমি রেললাইন তৈরি হবে। ২০২২-এর মার্চ মাসের মধ্যে তৈরি হবে পুরো লাইন। এই প্রকল্পেই ইরানের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের সাহায্য করছে ভারত।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ