নয়াদিল্লি: করোনা মোকাবিলায় লকডাউন চলাকালীন কতজন পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে, কতজন পরিযায়ী কর্মহীন হয়েছেন সেই সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য নেই কেন্দ্রের কাছে। সোমবার সংসদের বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনে একথা জানালেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গওয়াড়।

করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লকডাউনের জেরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লক্ষ-লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক আটকে পড়েন। বাড়ি ছেড়ে ভিনরাজ্যে কাজ হারিয়ে দুর্বিষহ যন্ত্রণার মুখে পড়েন পরিযায়ীরা।

যদিও পরে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চালিয়ে দেশের এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে ফেরানো হয় পরিযায়ী শ্রমিকদের। তবে সেক্ষেত্রেও ট্রেনে খাবারদ-দাবারের ব্যবস্থা না থাকায় ঘোর সমস্যায় পড়েন বহু শ্রমিক। শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে ফেরার পথে কামরাতেই খাবারের অভাব, প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু হয় বহু শ্রমিকের।

কয়েকমাস আগে পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে সওয়ার একের পর এক পরিযায়ীর মৃত্যুর খবর মেলে। সোমবার লকডাউনের জেরে মৃত ও কাজ হারানো পরিযায়ী শ্রমিকেদের ক্ষতিপূরণের দাবি সংক্রান্ত প্রশ্ন তোলেন বিরোধী সাংসদরা।

সেই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গওয়াড় জানান, লকডাউন চলাকালীন কতজন পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে, কতজন পরিযায়ী কর্মহীন হয়েছেন সেই সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য নেই কেন্দ্রের কাছে। সেই কারণেই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।

সংসদে এদিন শ্রমমন্ত্রী জানিয়েছেন, লকডাউন চলাকালীন পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে তৎপর হয় কেন্দ্রীয় সরকার। মোট ১.০৪ কোটি মানুষকে বাড়ি ফেরানো হয়েছে। ৪৬১১টি শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে প্রায় ৬৩ লক্ষ মানুষ তাঁদের নিজেদের রাজ্যে ফিরতে পেরেছেন।

শ্রমমন্ত্রকের তরফে লকডাউনের জেরে ফিরে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজের ব্যবস্থা করতে আবেদন জানানো হয় সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলিকে। একইসঙ্গে ফিরে আসা ওই পরিযায়ীরা যাতে কেন্দ্রীয় সব প্রকল্পের সুবিধা পান তার দিকেও নজর রাখতে বলা হয়েছিল রাজ্য সরকারগুলিকে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।