মেলবোর্ন: অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া প্রদেশে করোনার বাড়বাড়ন্তের জেরে মেলবোর্ন থেকে সরতে পারে ভারত-অস্ট্রেলিয়া বক্সিং-ডে টেস্ট। এমনই আভাস দেওয়া হয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তরফে। করোনার বাড়বাড়ন্তে ‘আইকনিক’ বক্সিং-ডে টেস্ট সরানোর পক্ষপাতী অজি কিংবদন্তি মার্ক টেলরও। তবে যেখানেই অনুষ্ঠিত হোক না কেন ভারত-অস্ট্রেলিয়া বক্সিং-ডে টেস্টে গ্যালারিতে ন্যূনতম দর্শক উপস্থিতি চাইছেন টেলর।

একইসঙ্গে প্রাক্তন অজি অধিনায়ক এমসিজি’র পরিবর্ত হিসেবে পারথের অপটাস স্টেডিয়াম, অ্যাডিলেড ওভালের নাম প্রস্তাব করেছেন। টেলর জানিয়েছেন এই দুই স্থানের পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এই ভেন্যুগুলির কথা ভেবে দেখতে পারে। বিগত কয়েকদিন ধরে ভিক্টোরিয়া প্রদেশে কোভিড১৯ আক্রান্তের সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় মেলবোর্নের কিয়দংশে পুনরায় লকডাউন জারি হয়েছে।

চ্যানেল নাইন’কে দেওয়া সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে টেলর জানিয়েছেন, ‘নিশ্চয় যা পরস্থিতি মেলবোর্ন থেকে বক্সিং-ডে সরানো উচিৎ। কারণ ক্রিসমাসের সময় মেলবোর্নে খেলা হলেও সেখানে মাত্র ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার মানুষ খেলা দেখতে পারবে। যেটা খুব একটা ভালো হবে না। তাই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার উচিৎ পারথের অপটাস স্টেডিয়াম কিংবা অ্যাডিলেড ওভালের কথা চিন্তা করা। কারণ অখানে খেলা হলে ফুল গ্যালারিতে খেলা সম্ভব। অ্যাডিলেড আবার ভারতের খেলা দেখতে ভীষণ পছন্দ করে।’

তবে টেলর দর্শকপূর্ণ সিরিজের কথা চিন্তা করে মেলবোর্ন থেকে বক্সিং-ডে টেস্ট সরানোর কথা বললেও ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের ভবিষ্যত নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা অব্যাহত। আর হলেও করোনা আবহে দর্শকহীন স্টেডিয়ামে ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। দর্শকহীন গ্যালারিতে করোনা পরবর্তী সময় ক্রিকেট-সহ অন্যান্য খেলা আয়োজন করছে বিভিন্ন দেশ। ‘নিউ নর্মাল’ এই বিষয়টিকেই সাদরে গ্রহণ করছেন অনুরাগীরাও।

তবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এরই মাঝে কিছু সংখ্যক দর্শককে মাঠে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তরফে দর্শকদের মাঠে ঢোকার অনুমতি পাওয়া না-গেলেও বাইশ গজের ম্যাচের উত্তাপে খুব একটা প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করছেন না টিম পেইন।

ম্যাচের আবহে ঢুকে পড়লে তখন আর গ্যালারির কথা মনে থাকে না, জানান অজি অধিনায়ক। অজি ক্যাপ্টেন অবশ্য বক্সিং ডে টেস্টের ভেন্যু নিয়ে বলেন, ‘একজন খেলোয়াাড় হিসেবে আমরা সব সময় চাই দেশের সেরা ভেন্যুতে বেশি দর্শকের সামনে খেলতে৷ বক্সিং ডে টেস্টের দিকে আমরা সবাই তাকিয়ে থাকি৷ এমসিজি-তে খেলাটা দারণ অনুভুতি৷’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ