নয়াদিল্লি: স্পেশ্যাল ট্রেনে পরিযায়ীদের বাড়ি ফেরাতে এবার আর সংশ্লিষ্ট রাজ্যের অনুমতি লাগবে না। স্পেশাল ট্রেনে বাড়ি ফেরার জন্য আবেদন জমা পড়লেই সংশ্লিষ্ট শ্রমিক বা অন্য কারও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হবে। করোনার উপসর্গ না থাকলে স্পেশাল ট্রেনে ওঠার ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলিকে পরিযায়ীদের ফেরানো নিয়ে নয়া সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের এই নয়া অবস্থানে রাজ্যগুলির সঙ্গে সংঘাত বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

লকডাউনের জেরে একাধিক রাজ্যে লক্ষাধিক পরিযায়ী শ্রমিক আটকে রয়েছেন। রুজি-রোজগারের সংস্থান হারিয়ে তাঁরা এখন ঘোর বিপাকে পড়েছেন। গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় অনেকেই রেল ও সড়কপথ ধরে হাঁটতে শুরু করেছেন।

এভাবে হাঁটতে গিয়ে ইতিমধ্যেই দেশের একাধিক রাজ্যে পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বহু পরিযায়ী শ্রমিক। গত কয়েকদিনে বিভিন্ন রাজ্য থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্ঘটনার কবলে পড়ার খবর সামনে এসেছে।

লকডাউনের জেরে বিভিন্ন জায়গায় আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে ১ মে থেকে শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেন চালু করেছে রেল। প্রথম দিকে যে রাজ্য থেকে পরিযায়ীরা ফিরছেন এবং তাঁর যে রাজ্যে যাচ্ছেন, সেই দুই রাজ্যের যৌথ প্রচেষ্টাতেই যাবতীয় তৎপরতার পরেই পরিযায়ীদের রাজ্যে ফেরানো চলছিল।

অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গ-সহ বেশ কয়েকটি রাজ্য করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করে ট্রেন ঢুকতে বাধা দিচ্ছে। কেন্দ্রের তরফেই এমন অভিযোগ তোলা হয়। যা নিয়ে বাংলাতেও জল ঘোলা কম হয়নি। পরিযায়ীদের রাজ্যে ফেরানো ইস্যুতে বাম-কংগ্রেস, বিজেপি তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করে।

যদিও কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্যের বিরোধীদের অভিযোগে আমল দেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্টে পরিযায়ীদের ফেরাতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তোলে রাজ্য। এবার কেন্দ্রের নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী পরিযায়ীদের ফেরাতে আর রাজ্যের দিকে তাকাতে হবে না কেন্দ্রকে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ