স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: স্বাস্থ্য পরিষেবার জট কাটাতে আজ বিকেল তিনটে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা জুনিয়র ডাক্তারদের৷ আশায় বুক বাঁধছেন রুগি ও তাদের পরিবার৷ কিন্তু সেই বৈঠক ঘিরেও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা৷

এদিনের বৈঠকের জন্য ডাক পাননি আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা৷ কবে, কোথায় বৈঠক তা জানেন না তারা৷ দাবি এনআরএসের জুনিয়র ডাক্তারদের৷ডাক পেলে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোনও বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা৷ তবে, সংবাদ মাধ্যমের সামনেই হতে হবে আলোচনা৷

আরও পড়ুন: ১৪৪ ধারা জারি হলে নিজে হাতে আইন ভাঙবেন দিলীপ

জুনিয়র ডাক্তাররা জটিলতা কাটিয়ে কাজে ফিরতে আগ্রহী৷ রাজি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনাতেও৷ তবে, বৈঠকে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের কাছে ছয়’টি দাবি তুলে ধরতে চান তারা৷ যেমন, এনআরএসের আক্রান্ত জুনিয়র ডাক্তার পরিবহ মুখোপাধ্যায়কে হাসপাতালে দেখতে যেতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে৷ এনআরএস সহ মালদা ও মুর্শিদাবাদ হাসপাতালে হামলাকারীদের নাম প্রকাশ্যে আনতে হবে৷

হাসপাতালের ডাক্তারদের উপর হামলা ঠেকাতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করেছে তা লিখিতভাবে জানাতে হবে৷ রাজ্যের হাসপাতালগুলির পরিকাঠামোর উন্ননে আলাদা কমিটি গড়তে হবে সরকারকে৷ এই কমিতে থাকবেন অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা৷ হাসপাতালের নিরাপত্তায় বিশেষ বাহিনী রাখতে হবে৷

রাজ্য সরকারের তরফে বৈঠকের ডাক পেলে কারা কারা উপস্থিত থাকবেন জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিনিধি হিসাবে তা নিয়েই সোমবার সকালে বৈঠকে বসেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা৷ এনআরএসের জরুরি বিভাগ খোলা থাকলেও বন্ধ আউটডোর৷ ফলে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা পরিষেবা৷

আরও পড়ুন: জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনে উস্কানি ভারতী ঘোষের! ফাঁস চাঞ্চল্যকর অডিও বার্তা

শনিবার রাতে জানা যায়, আজ দুপুর তিনটের সময় এই বৈঠক ডাকা হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, আন্দোলনকারী ডাক্তারদের সমস্ত দাবি মেনে এই বৈঠক ডাকা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ১৪টি মেডিক্যাল কলেজ থেকেই জুনিয়র চিকিত্সকদের প্রতিনিধিদের ডাকা হয়েছে। বৈঠকে প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র চিকিত্সদের দু’জন করে প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

এই বৈঠকে আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের পাশাপাশি সিনিয়র বেশ কয়েকজন ডাক্তারও উপস্থিত থাকতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। থাকবেন মুখ্যসচিব, স্বাস্থ্য সচিবও৷ নবান্ন সভাগৃহে বৈঠক হবে বলে স্থির করা হয়৷ জুনিয়র ডাক্তারদের সব দাবি মেনে নিলেও বৈঠকে সংবাদ মাধ্যমের উপস্থিততে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাজ্য সরকার৷ বদলে ভিডিওগ্রাফির দাবি করা হয়েছে আন্দোলনকারীদের তরফে৷