বেঙ্গালুরু: কাশ্মীর নিয়ে নরেন্দ্র মোদী ও দেবেগৌড়ার প্রধানমন্ত্রীত্বের কালের তুলনা টানলেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামী৷ তাঁর বক্তব্য, দেবগৌড়া যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন কাশ্মীরে একটাও বিস্ফোরণ হয়নি৷ এই তুলনা টেনে কুমারস্বামী স্পষ্ট বোঝাতে চাইলেন মোদীর জমানায় কাশ্মীর অশান্ত হয়ে উঠেছে৷ হিংসা সেখানে বেড়ে গিয়েছে৷

দেবেগৌড়া সম্পর্কে কুমারস্বামীর বাবা হোন৷ ১৯৯৬ সালের ১ জুন দেবেগৌড়া দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হন৷ কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে মাত্র ৩২৪ দিন বসতে পেরেছিলেন৷ ১৯৯৭ সালের ২১ এপ্রিল তাঁকে সরে যেতে হয়েছিল৷ অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে পুরো মেয়াদকালও সম্পূর্ণ করে যেতে পারেননি৷ সেই কথা স্মরণ করিয়ে বিজেপি নেতারা বলছেন, যিনি প্রধানমন্ত্রীত্বের মেয়াদকাল সম্পূর্ণ করতে পারেননি তাঁর সঙ্গে মোদীর কোনও ভাবেই তুলনা চলে না৷

কুমারস্বামীর এই মন্তব্যের কারণ কিছুদিন আগে রাজ্যের বাগলকোটে ভোট প্রচারে এসে বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের কথা উল্লেখ করেছিলেন মোদী৷ বলেছিলেন, বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের প্রমাণ চেয়েছিল কংগ্রেস ও জেডি(এস)৷ কেউ কেউ তো গুগলে জায়গার নাম সার্চ করতে বসে৷ তারপর জানায় এয়ারস্ট্রাইক বালাকোট নয় বাগলকোটে হয়েছিল৷ রাজ্যের কং-জেডি(এস) সরকারকে তোপ দেগে মোদী বলেছিলেন, ‘‘এয়ারস্ট্রাইক বা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক কোনওটাই এরা মেনে নিতে পারছে না৷ ওরা দেশের কথা নয় শুধু ভোটব্যাংকের কথাই ভাবে৷’’

নমোর পাল্টা জবাবে কুমারস্বামী বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বালাকোট ও বাগলকোটের কথা বলেছেন৷ সবাই জানে কণার্টকের সীমান্তের সঙ্গে পাকিস্তানের কোনও যোগ নেই৷’’ দেশভক্তির পাঠ তিনি নরেন্দ্র মোদীর কাছ থেকে নিতে চান না বলে জানান কুমারস্বামী৷

পাশাপাশি দুর্নীতির প্রশ্নে বিজেপিকে একহান নেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী৷ জানান, বিজেপি তাদের ইস্তেহারে দুর্নীতিমুক্ত সরকার গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে৷ অথচ কানওয়ারে বিজেপি নেতার বাড়ি থেকে ৭৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার হল৷ কোথা থেকে এল এই টাকা? মোদী কি চা বিক্রি করে দলকে টাকা তুলে দিচ্ছেন?