ইসলামাবাদ: ২০০৮ সালে আত্মপ্রকাশ করা আইপিএলের ধাঁচে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানেও শুরু হয়েছে পিএসএল বা পাকিস্তান সুপার লিগ। ৬ দলের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের পঞ্চম সংস্করণ অনুষ্ঠিত হবে নতুন বছরের শুরুতেই৷ তার আগে নিলামে প্রয়োজন মতো ক্রিকেটার কিনে দল গুছিয়ে নিল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি৷ উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, আসন্ন মরশুমে পিএলএল খেলতে দেখা যাবে না কোনও বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে৷ কেননা, পিএসএল নিলামের জন্য নাম নথিভূক্ত করা ২৩ জন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের একজনকেও দলে নেওয়ার আগ্রহ দেখায়নি কোনও ফ্র্যাঞ্জাইজি।

আরও পড়ুন: ঋষভকে টিটকিরি, দর্শকদের আচরণে বিরক্ত কোহলি

ঠিক কী কারণে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকল ফ্র্যাঞ্চাইজিরা তা বলা মুশকিল। তবে মনে করা হচ্ছে ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজে টাইগারদের শোচনীয় পারফরম্যান্সের ফলেই তাদের দলে নিতে চায়নি পিএলএল দলগুলি৷ যদিও শাকিব আল হাসান নির্বাসিত না হলে তাঁকে দলে নেওয়ার জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি ঝাঁপাত নিশ্চিত৷

২০২০ পিএসএলের আগে নিয়ম মতো শুরু হয়েছিল প্লেয়ারদের নাম নথিভূক্তিকরণ। সেখানে ডায়মন্ড, গোল্ড এবং সিলভার, তিনটি বিভাগে সব মিলিয়ে ছিলেন মোট ২৩ জন বাংলাদেশি ক্রিকেটার। তামিম ইকবাল, মহম্মদ সইফুদ্দিন, মাহমুদুল্লাহ রিয়াধ, মুস্তাফিজুর রহমানের মোট তারকারা ছিলেন ডায়মন্ড ক্যাটাগরিতে। লিটন দাস, মহম্মদ মিঠুন, তাস্কিন আহমেদের মত তারকারা ছিলেন গোল্ড ক্যাটাগরিতে। অন্য ৯ জন বাংলাদেশি তারকা ছিলেন সিলভার ক্যাটাগরিতে৷ শেষমেশ নিলামে অবিক্রিত থাকেন সকলেই৷

আরও পড়ুন: রঞ্জিতে ৮ ওভারে ৮ উইকেট টিন-এজারের

প্রথম দু’টি মরশুমে ৫টি করে দল অংশ নেয় পিএলএলে৷ পরের দু’টি মরশুমে ছ’টি করে দল খেলে টুর্নামেন্টে। গতবারে টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স। যদিও সব থেকে বেশিবার জয়ী হয়েছে ইসলামাবাদ ইউনাইটেড।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ