নয়াদিল্লি: তালিকায় যে ৪০ লক্ষ মানুষের নাম নেই, তাদের বিরুদ্ধে কোনও জবরদস্তি করা যাবে না। অসমের নাগরিক চিহ্নিতকরণের তালিকা প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে স্পষ্ট বার্তা দিল শীর্ষ আদালত। এ ব্যাপারে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর তৈরি করার নির্দেশও দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

আগামী, ১৬ আগস্টের মধ্যে কেন্দ্রকে সেই প্রসিডিওর অনুমোদনের জন্য পেশ করতে বলেছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের স্পষ্ট মত, যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাদের পাল্টা আদালতে তার বিরোধিতা করার জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে।

একইসঙ্গে আদালত জানিয়েছে, যাদের নাম নেই তাদের আপত্তিও শুনতে হবে।

অসমে বেআইনি নাগরিক চিহ্নিতকরণে জাতীয় নাগরিকপঞ্জির খসড়ায় ৪০ লক্ষ লোকের নাম বাদ পড়েছে। মঙ্গলবার আদালতে সেই তথ্য জানায় অসমের এনআরসি স্টেট কো-অর্ডিনেটর। সোমবারই সেই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। ৩.২৯ কোটি মানুষ নাগরিকত্বের আবেদন জানিয়েছিলেন, এর মধ্যে ২.৮৯ কোটি মানুষের নাম রয়েছে। বাদ গিয়েছে ৪০ লক্ষেরও বেশি মানুষের নাম। ৩৭.৫৯ লক্ষের নাম বাতিল করা হয়েছে ও ২.৪৮ লক্ষের নাম হোল্ডে রাখা হয়েছে।

এদিকে, মঙ্গলবারই দিল্লিতে এই বিষয়ে আলোচনায় বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ অসমের জাতীয় নাগরিকপঞ্জীকরণ (NRC) ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর সঙ্গে তিনি আলোচনায় বসবেন বলে জানা গিয়েছে৷ সোমবারই অসম নাগরিকপঞ্জীকরণকে কেন্দ্রের গেম-প্ল্যান বলে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি৷ তিনি জানান, জনসাধারণ নিজের দেশেই উদ্বাস্তুর মতো ঘুরবে যা যথেষ্ট দুশ্চিন্তার৷ তিনি কেন্দ্রকে কটাক্ষ করে বলেন, বাংলাভাষী এবং বিহারীদের উৎখাত করতেই এই পরিকল্পনা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।