নয়াদিল্লি : এবার জেলে করোনা সংক্রমণ রুখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত। শনিবার দেশের শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নিতান্ত দরকার না হলে এই পরিস্থিতিতে কাউকে গ্রেফতার করা থেকে পুলিশ যেন বিরত থাকে। কারণ, দেশে এখন করোনার দ্বিতীয় ঢেউয় চলছে। এই সময় জেলে বন্দিদের ভিড় বাড়লে করোনা সংক্রমণজনিত সমস্যা বাড়তে পারে।

দেশের বিভিন্ন জেলগুলোকে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ঝাপ্টা থেকে রক্ষা করতে শনিবার সুপ্রিম কোর্ট নির্দিষ্টভাবে একটি নির্দেশিকা জারি করেছে। এর আগে শুক্রবার আদালতের তরফ থেকে জেলে ভিড় কমাতে পরিকল্পনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। গত ২০২০-তে দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সময় নির্বাচিত বন্দিদের জেল থেকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। শনিবারের নির্দেশে করোনার দ্বিতীয় ঝাপ্টায় সেই একই ভাবে যেন এ বারও নির্বাচিত জেল বন্দিদের প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয় । শনিবার সেই বিষয়েই বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

শীর্ষ আদালত বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রতিনিধিদের দ্বারা তৈরি বিশেষ একটি কমিটির কাছে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছে , গ্রেফতার না করলেই নয় , এই রকম ঘটনা বাদ দিয়ে বাকি সমস্ত ক্ষেত্রে গ্রেফতারি ও জেল এড়িয়ে যেন যাওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে আগে যে সব বন্দিদের করোনা সংক্রমণের বিষয়টি বিবেচনা করে জেল থেকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের আবারও ৯০ দিনের জন্য যেন প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। দিল্লিতে যে ভাবে জেলবন্দিদের সংখ্যা ওয়েবসাইটে দেওয়া থাকে, সে ভাবেই যেন সব জেল ওয়েবসাইট বন্দিদের সংখ্যা উল্লেখ করে।

শীর্ষ আদালতের নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, যে রাজ্যে জেলবন্দিরা মুক্তি পাবেন, সেই রাজ্যে যদি লকডাউন বা কার্ফু চলে, তা হলে বন্দিরে নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা প্রশাসনকেই করতে হবে। শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশে বলা হয়েছে জেলে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়ম করে জেলের বন্দি ও কর্মীদরর শারীরিক পরীক্ষাও করতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.