ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, শিলিগুড়ি: অবশেষে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রেলপথে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী ২৬ মার্চ এনজেপি-ঢাকার মধ্যে এই রেল পরিষেবা চালু হবে। সপ্তাহে দু’দিন সোম এবং বৃহস্পতিবার এই ট্রেনটি এনজেপি থেকে ছাড়বে। ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে ট্রেনটি ছাড়বে মঙ্গল এবং শুক্রবার। ৯ ঘন্টার রেল পথ এক্কেবারে ননস্টপ৷ ভাড়া এবং ট্রেনের নামকরণ এখনও ঠিক হয়নি।

গত ডিসেম্বর মাসে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারচুয়াল উপস্থিতিতে এই রেলপথ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও ট্রেন এখনও চলেনি। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেন, এই রেলপথ দিয়েই উত্তরবঙ্গের সঙ্গে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের মেলবন্ধন ঘটবে। মঙ্গলবার ভারত ও বাংলাদেশের রেলকর্তাদের মধ্যে বৈঠক শুরু হয়। এই রেলপথ খুব শিগগির চালু করার বিষয়ে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়। বুধবার বাংলাদেশের পাকসের ডি আর এম মহম্মদ সহিদুল ইসলাম এবং এপারের কাটিহারের ডি আর এম রবিন্দ্রর কুমার ভার্মা বৈঠক করেন৷ সেি বৈঠকে পর তাঁরা জানান, মূলত পর্যটন শিল্পকে সামনে রেখেই এই ট্রেন পরিষেবা চালু করা হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে সপ্তাহে দু’দিন দু’দেশের মধ্যে এই ট্রেন পরিষেবা চলবে। যা আগামী ২৬ মার্চ এনজেপি থেকে দুপুর ২টোয় যাত্রা শুরু করবে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি এই নয়া রেল পরিষেবার উদ্বোধন করবেন।  ৬টি স্লিপার কোচের পাশাপাশি ২টি চেয়ারকার কোচ থাকবে। এবং পুরোটাই শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কোচ। এনজেপি থেকে সোম ও বৃহস্পতিবার চলবে এই নতুন ট্রেন। ঢাকা থেকে এনজেপিতে ট্রেন পৌঁছবে মঙ্গলবার ও শনিবার। নয়া ট্রেন পরিষেবা চালুর খবরে খুশি পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবী, আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে। উল্লেখ্য, ২৬ মার্চ বাংলাদেশের ৫০তম স্বাধীনতা দিবস। তাই এই দিনটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে দুটি ট্রেন পরিষেবা চালু হয় দু’দেশের মধ্যে। একটি মৈত্রী এক্সপ্রেস, অন্যটি বন্ধন এক্সপ্রেস। এবারে উত্তরের রেলের প্রবেশ দ্বার এনজেপি থেকে চালু হচ্ছে প্রতিবেশী দু’দেশের মধ্যে ট্রেন পরিষেবা! রেল সূত্রে খবর, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে হলদিবাড়ি থেকে বাংলাদেশের চিলাহাটি পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হবে। প্রথমে পণ্যবাহী পরে যাত্রীবাহী ট্রেন চলবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।