নয়াদিল্লি: মোদী মন্ত্রিসভায় যোগ দিল না নীতীশ কুমারের জেডিইউ৷ পূর্ণমন্ত্রীদের সংখ্যা ও পোর্টফোলিও পছন্দ না হওয়াতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন নীতীশ৷ তবে রাজনৈতিক মহলে কান পাতলে শোনা যাবে অন্য কথা৷ বিহারের রাজ্য রাজনীতির কথা মাথায় রেখেই নাকি দিল্লির মন্ত্রিসভা থেকে আপাতত কৌশলে দূরে থাকতে চাইছেন তিনি৷ মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ৷

বৃস্পতিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ নেন প্রধানমন্ত্রী মোদী সহ তাঁর ৫৮ জন সহযোগী৷ বিজেপি সহ অন্যান্য এনডিএ শরিক দলের প্রতিনিধিরাও স্থান পেয়েছেন মন্ত্রিসভায়৷ কিন্তু সেই তালিকায় নেই এনডিএ শরিক জনতা দল ইউনাইটেডের নাম৷ বিহারের নীতীশ কুমারের জেডেইউ-য়ের সঙ্গে জোট বেঁধেই লোকসভা ভোটে লড়েছে বিজেপি৷ রাজ্যেও চলছে জোটের শাসন৷ তাহলে হঠাৎ মন্ত্রিসভায় কেন নেই জেডিইউ? শুরু হয় নানা জল্পনা৷

আরও পড়ুন: আজ বিকেল ৫টায় বৈঠকে দ্বিতীয় মোদী সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা

রাষ্ট্রপতি ভবনে উপস্থিত জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমার বলেন, ‘‘মন্ত্রিসভায় মাত্র একজনকে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল বিজেপির তরফে। যা হবে প্রতীকী অংশগ্রহণ। তাই তাদের দলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে মন্ত্রিসভায় যোগ না দেওয়ার কথা।’’ তবে তিনি জানাতে ভোলেননি এই সিদ্ধান্তে তাদের জোটে কোনও প্রভাব পড়বে না৷ নীতীশের প্রশ্ন, মন্ত্রিত্ব রাখার জন্য শুধু মন্ত্রক পেয়ে লাভ কী?

জানা গিয়েছে, কেন্দ্রের অন্তত দুটি মন্ত্রক চেয়েছিলেন নীতীশ কুমার। কিন্তু জেডিইউকে একটি মন্ত্রক দেওয়ার ব্যাপারেই অনড় থাকে বিজেপি। তাই শেষপর্যন্ত মন্ত্রিসভায় যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমার৷

রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, মন্ত্রীত্ব না নিয়ে এক ঢিলে দুই পাখি মারার চেষ্টা করেছেন নীতীশ কুমার৷ দেশজুড়ে এনডিএর সাফল্য৷ তাই দর কষাকষির জায়গাই নেই৷ তাই আপাত, মুখ বুজেই সব সহ্য করছেন নীতীশ৷ সবটাই বিহারের রাজনীতির কথা মাথায় রেখে৷ ২০২০ সালে বিহারে বিধানসভা ভোট৷ সম্ভবত বিজেপির সঙ্গেই জোট বেঁধেই ভোটে লড়বেন নীতীশ৷ তাদের প্রতিপক্ষ লালু প্রসাদ যাদবের আরজেডি৷ তারা জোট বাঁধতে পারে কংগ্রেস ও বামেদের সঙ্গে৷

আরও পড়ুন: ৩০ বছরের রাজনৈতিক জীবন পেরিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হলেন দেবশ্রী

এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বহীন কোনও মন্ত্রক পেলে রাজ্যের বিরোধীরা নীতীশ কুমারকে কটাক্ষ করতে ছাড়তে না৷ প্রচারে তারা তুলে ধরত মোদী-শাহের কাছে মাথা হেঁট করেছেন জেজিইউ প্রধান৷ যা আখেড়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারত বিহারের শাসক দল ও জোটের কাছে৷

অন্যদিকে, বিহারে আসন বন্টন বা ফলাফল পরবর্তী সময়ে বিজেপির চাহিদা যাতে সংযত থাকে তাও নজরে রয়েছে নীতীশ কুমারের৷ গেরুয়া দলের দাবি বেশি হলে সেই সময় জেডিইউ’য়ের তরফে উদাহর হিসাবে তুলে ধরা যাবে তাদের পদক্ষেপের কথা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।