পাটনা: দীর্ঘ জল্পনা, যাবতীয় এক্সিট পোলকে ভুল প্রমাণ করে বিহারের মানুষ ক্ষমতায় রেখেছে এনডিএ-কে। আর বিহারে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন পোড়খাওয়া অন্যতম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নীতিশ কুমার। চতুর্থ মেয়াদে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন তিনি। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শপথ গ্রহণ করবেন নীতিশ কুমার।

ভোটের আগে এনডিএ জোট মুখ্যমন্ত্রী নীতীশকুমারকে‌ মুখ্যমন্ত্রী সামনে রেখেই লড়াই করেছিল। ভোটে জোটের পক্ষে আসে ১২৫টি আসন, যেখানে ম্যাজিক ফিগার দরকার ১২২। কিন্তু উল্লেখযোগ্য বিষয় হল কিন্তু ভোটের ফলে এই জোটে নীতীশের জেডিইউ দলের চেয়ে অন্য শরিক বিজেপির আসন দাঁড়ায় অনেক বেশি।

এমন পরিস্থিতিতে বিজেপির কিছু নেতা দাবি করেছিলেন, এবার মুখ্যমন্ত্রীকে বিজেপির কোনও প্রার্থীকে করা উচিত। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বুধবার সন্ধ্যায় বিজেপি সদর দফতরে কর্মীদের স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নীতীশ কুমারের অধীনে বিহারে এনডিএ সরকার গঠন করা হবে। ফলে বিহারে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন নীতিশ-ই।

ইতিমধ্যে সূত্র মারফৎ খবর রয়েছে, একজনের পরিবর্তে বিজেপি থেকে দুজনকে বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য নির্বাচন করেছে এনডিএ। রিপোর্ট মোতাবেক, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)র বিধায়ক তারকিশোর প্রসাদ এবং রেনু দেবীকে রাজ্যের নতুন উপমুখ্যমন্ত্রী করছে এনডিএ। গতকাল গভীর রাতে নীতিশ কুমার ও শীর্ষ স্থানীয় বিজেপি নেতাদের বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

রেণু দেবী জানিয়েছেন, এব্যাপারে তিনি দলের নির্দেশ মেনে চলবেন। অন্যদিকে তারকিশোর প্রসাদ এনিয়ে সংবাদসংস্থাকে বলেন, এ ব্যাপারে কোনও কথা বলতে পারব না। তবে আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তা পালন করব।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য বিধানসভায় বিজেপির নেতা ও রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সুশীল কুমার মোদী। যদিও বিজেপি সুত্রের খবর, বিহারে যেভাবে বিজেপির ফল ভালো হয়েছে তার অন্যতম কান্ডারি সুশীল মোদী! আর সেই পুরস্কার হিসাবে সুশীল মোদীকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করছে বিজেপি। তবে এনিয়ে দলের তরফে কোনও কিছু জানানো হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।