পাটনা: নির্বাচন, ফল ঘোষণার পর ফের একবার সরগরম হতে চলেছে বিহার। আবার সকলের নজর কাড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী রাজ্য। সম্ভাবত রবিবারেই ঘোষণা হতে চলেছে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর নাম। জেডিইউ’র নীতীশ কুমারের মুখ্যমন্ত্রী হওয়া প্রায় নিশ্চিত। তবুও সকলের নজরে রয়েছে, কে হয় মুখ্যমন্ত্রী।

সূত্রের খবর মোতাবেক, রবিবার সকাল সাড়ে ১২ টা নাগাদ নবনির্বাচিত এনডিএ বিধায়কদের একটি সভা হবে, যেখানে এনডিএর নেতা নির্বাচিত হবেন। এই সভায় নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নামও ঘোষণা করা যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে সকাল সাড়ে ১০ টা নাগাদ বৈঠকে বসছে বিজেপি বিধায়কেরা।

শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন নীতিশ কুমার। রাজ্যপাল ফাগু চৌহানের সঙ্গে দেখা করে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। একই সঙ্গে রাজ্যপালকে বিদ্যমান বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার অনুরোধও করেন তিনি।

উল্লেখ্য, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন এনডিএ বিহারে বিধানসভা নির্বাচনে জিতেছে। নীতিশ কুমারই যে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন, তা কার্যত নিশ্চিত।

এই নিয়ে সপ্তমবারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন নীতিশ কুমার। ২০০০ সালে তিনি প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হন। এরপর থেকেই নানান বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন বিহারের এই অন্যতম রাজনৈতিক নেতা।

ভোটের আগে এনডিএ জোট মুখ্যমন্ত্রী নীতীশকুমারকে‌ মুখ্যমন্ত্রী সামনে রেখেই লড়াই করেছিল। ভোটে জোটের পক্ষে আসে ১২৫টি আসন, যেখানে ম্যাজিক ফিগার দরকার ১২২। কিন্তু উল্লেখযোগ্য বিষয় হল কিন্তু ভোটের ফলে এই জোটে নীতীশের জেডিইউ দলের চেয়ে অন্য শরিক বিজেপির আসন দাঁড়ায় অনেক বেশি।

এমন পরিস্থিতিতে বিজেপির কিছু নেতা দাবি করেছিলেন, এবার মুখ্যমন্ত্রীকে বিজেপির কোনও প্রার্থীকে করা উচিত। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বুধবার সন্ধ্যায় বিজেপি সদর দফতরে কর্মীদের স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নীতীশ কুমারের অধীনে বিহারে এনডিএ সরকার গঠন করা হবে। ফলে বিহারে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন নীতিশ-ই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।