পাটনা:  অপ্রত্যাশিতভাবে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে পদ্ম! শুধু পদ্ম হাতে নেওয়াই নয়, তাতে রংও চড়ালেন। তাও আবার কিনা গেরুয়া। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই কাণ্ড দেখে তো চক্ষু-চড়ক তাঁর অনুগামীদের। জল্পনাও উঠতে শুরু করেছে যে তাহলে কি আবার লালুর সঙ্গে ছেড়ে বিজেপির পদ্মই ধরতে চলেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার! যদিও এই ব্যাপারে একেবারেই স্পিকটি নট মুখ্যমন্ত্রী!!!

দেখুন সেই ভিডিও

 

 

 

এবার ঘটনায় আসি! সম্প্রতি বইমেলায় যান বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে এক চিত্রশিল্পী পদ্ম আঁকছিলেন। তাঁর থেকে তুলি নিয়ে ক্যানভাসে রং দিলেন নীতীশ কুমার। আঁকলেন গেরুয়া পদ্ম।  ‌যা বিজেপির নির্বাচনী প্রতীক। তাঁর এই পদ্ম আঁকা ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। জল্পনা হওয়াটাও স্বাভাবিক কারণ।

 

গত কয়েকদিন ধরে লালুর সঙ্গে নীতীশের সর্ম্পকের অবনতি হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। অবস্থার আরও অবনতি হয় নোট বাতিলে মোদীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে। এরপর পটনায় একটি অনুষ্ঠানে মোদী-নীতিশকে পাশাপাশি বসতে দেখা যায়,  ওই অনুষ্ঠানেই গুজরাটে মদ বিক্রির উপরে কঠোর নিষেধাজ্ঞা চাপানোয় নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করেছিলেন নীতীশ কুমার। একবারের জন্যেও লালু প্রসাদকে ডাকেননি নীতিশ। পরে আরজেডি নেতৃত্বের তীব্র নিন্দা করে বলে, লালুপ্রসাদ ‌যাদবকে মঞ্চে ডেকে নেওয়া উচিত ছিল বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর। বিহারের বিজেপি সাংসদ গিরিরাজ সিংয়ের মন্তব্য, লালুকে চাপ রাখতে রাজনৈতিক ক্যানভাসে রং দিয়েছেন নীতীশ!

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।