পাটনা: নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে বিজেপি দাবি করেছে এনডিএ সরকার পুনরায় এলে বিহারে ১৯ লক্ষ চাকরি দেওয়া হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার থেকে অল্প বেশি আসন নিয়ে সরকার গড়েছে বিজেপি-জেডিইউ-হাম ও ভিআইপি জোট তথা এনডিএ। এরপরেই দিন গোনার পালা শুরু।

কবে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার চাকরি দেওয়ার ফরমান জারি করবেন। ইতিমধ্যেই এনডিএ জোটের মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে নীতীশ কুমার নেতৃত্বে চলা ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভায় ৫০ শতাংশ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল কেস চলছে।

এই তথ্য ধরে বিরোধী মহাজোটের প্রধান তথা আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব সরকারকে কটাক্ষ করেছেন। পরিসংখ্যানে উঠে আসছে, মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাওয়া মন্ত্রীদের ৯৩ শতাংশ কোটিপতি।

অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (এডিআর) জানিয়েছে, ১৩ জন মন্ত্রীর মিলিত সম্পত্তির পরিমাণ ৩.৯৩ কোটি টাকা। তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা,নীতীশ কুমারের মন্ত্রিসভায় কোনও সংখ্যালঘু মুখ নেই। এটি তুমুল চর্চার বিষয়। যদিও নির্বাচনে বিজেপি কোনও সংখ্যালঘু কে প্রার্থী করেনি।

তবে জেডিইউ তরফে সংখ্যালঘু প্রার্থী ছিলেন। পরিসংখ্যান হিসেবে স্পষ্ট এনডিএ জোট নীতীশ কুমারকেই মুখ্যমন্ত্রী করলেও তাঁর দলের আসন সংখ্যা কম হওয়ায় প্রবল চাপ তৈরি করে রেখেছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দুই উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ সেরকমই ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই নীতীশ কুমার জোটের কার্যকলাপ নিয়ে অসন্তুষ্ট। বিরোধী শিবিরের কটাক্ষ, যে বিপুল সংখ্যক চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এনডিএ তা দ্রুত পালন করুক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।