নয়াদিল্লি: রবিবার কেন্দ্রীয় পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গড়করি জানিয়েছেন আগামী ছয় মাসের মধ্যে ভারতে সম্পূর্ণ লিথিয়াম আইকন ব্যাটারি তৈরি করা হবে। এর পাশাপাশি তিনি যুক্ত করে বলেন আগামী দিনে ভারত বিশ্বের এক নম্বর বৈদ্যুতিক গাড়ি প্রস্তুতকারক দেশ হিসেবে পরিচিত হবে। অ্যামাজন সাম্ভাব সমিতি একটি ভার্চুয়াল বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভারতে অটোমেকারদের উৎসাহিত করছে ফ্লেক্স ফুয়েল ইঞ্জিন উৎপাদনের জন্য এবং তারা নির্মাতাদের সঙ্গে আলোচনা করছে বলে উল্লেখ করেন।

কেন্দ্রীয় পরিবহন মন্ত্রী বলেন, বৈদ্যুতিক যানবাহন তৈরির দিকে ক্রমশ এক ধাপ করে এগিয়ে চলেছে ভারত । আগামী দিনে বিশ্বের এক নম্বর ইলেকট্রিক যানবাহন (ইভি) প্রস্তুতকারক হবে এই দেশ বলার সঙ্গে তিনি আরও উল্লেখ করে বলেন সমস্ত নামী সংস্থা উপস্থিত রয়েছে রয়েছে প্রকল্পে।

এমএসএমই পোর্টফোলিওর অধিকারী গড়করি ভারতে তৈরি দেশীয় ব্যাটারি ইভি পরিবহনের ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করবে বলে উল্লেখ করেন। আবার তিনি বলেন, সবুজ শক্তি তৈরি করতে ভারতের অসাধারণ দক্ষতা রয়েছে। দৃহতার সঙ্গে উল্লেখ করেন, ভারত ১০০ শতাংশ লিথিয়াম ইয়ন ব্যাটারি তৈরি করতে প্রস্তুত, এবং এই দেশে লিথিয়ামের কোনও অভাব নেই।

এর পাশাপাশি তিনি বলেন, ভারত সরকার হাইড্রোজেন ফউয়েল সেল টেকনোলজি (এইচএফসি) ওপরে কাজ শুরু করেছে। এইচএফসি প্রযুক্তি জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক শক্তি উত্পাদন করতে হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেনের (বায়ু থেকে) মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটান হচ্ছে।

বিপুল অর্থের অপরিশোধিত তেল আমদানি করার ফলে ভারতীয় অর্থনীতির ক্ষতির মুখ দেখছে। টাকার পরিমাণ উল্লেখ করে মন্ত্রী জানিয়েছেন, ভারত ৮ লক্ষ কোটি টাকার অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে এবং আগামী ৪ থেকে ৫ বছরে এর দ্বিগুণ হতে পারে। অর্থনীতিকে ক্ষতি থেকে তুলে ধরতে একটি বিকপ্ল পথের দিকে তাকিয়ে রয়েছে কেন্দ্রীয় পরিবহন মন্ত্রী।

ভারতের বায়ু দূষণ রুখতে ই মবিলিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হবে। আগামী দিনে পেট্রোল এবং ডিজেল গাড়ির প্রতিযোগিতার কারণে বৈদ্যুতিক গাড়ারি দাম কম রাখা হবে ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে। বিশ্বের দরবারে ভারতীয় অটোমোবাইল শিল্পকে প্রথম সারিতে দেখার জন্য ইথানল, মিথানল, বায়ো সিএনজি, বৈদ্যুতিন এবং হাইড্রোজেন জ্বালানী সেল উৎপাদনে উতসাহিত করছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.