নয়াদিল্লি: নীতি আয়োগ সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে তিনটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের বেসরকারিকরনের জন্য। এই ব্যাংক তিনটি হল- পাঞ্জাব অ্যান্ড সিন্ধ ব্যাংক, ইউকো ব্যাংক এবং ব্যাংক অফ মহারাষ্ট্র। এছাড়া অন্যান্য প্রধানমন্ত্রীর অফিস এবং অর্থ মন্ত্রকের কাছে সুপারিশ গুলির মধ্যে রয়েছে -সমস্ত আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাংকগুলির সংযুক্তিকরণ, নন ব্যাংকিং ফিনান্সিয়াল কোম্পানি গুলির ঋণের বাজারে অংশগ্রহণে নমনীয়তা চালু করা এবং বেসরকারি ঋণ ও জিডিপির অনুপাত বর্তমানের ৫৪ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশে তুলে আনা আগামী ১০ বছরে। একটি সর্বভারতীয় চ্যানেলে এই বিষয়ে খবর করেছে, তবে খবরের সূত্র জানায়নি। তাছাড়া নীতি আয়োগ ভারতের তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে কথা তুলেছে বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি রয়টারের একটি রিপোর্ট জানিয়েছিল,কেন্দ্র এখন সরকারি ব্যাংকগুলির অর্ধেকের বেসরকারিকরণ করে দিয়ে সরকারি ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে নিয়ে আসতে চাইছে পাঁচটিতে। সে ক্ষেত্রে পরিকল্পনা অনুসারে প্রথম ধাপে সংখ্যাগরিষ্ঠ শেয়ার বেচা হবে ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, সেন্ট্রাল ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাংক, ইউকো ব্যাংক, ব্যাংক অফ মহারাষ্ট্র এবং পাঞ্জাব অ্যান্ড সিন্ধ ব্যাংক।

তাছাড়া গত সপ্তাহের আগে প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল সরকার ক্ষতিতে চলা ভারতীয় ডাক বিভাগকে আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাংকগুলির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়ে একটি বৃহৎ রাষ্ট্রয়ত্ত ব্যাংক গড়া হতে পারে। এই দুটি ক্ষেত্র মিশে গেলে স্টেট ব্যাংকের মতো বিরাট নেটওয়ার্ক তৈরি হবে বলে আশা করা হয়েছিল। তবে এক্ষেত্রে যেহেতু গ্রামীণ ব্যাংক গুলিতে রাজ্যগুলির অংশীদারিত্ব আছে সেহেতু তাদের সঙ্গে কথা বলেই কেন্দ্রকে এগোতে হবে।

এদিকে আবার গত বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। করোনা সংকটে কেমন করে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা যায় সে বিষয়ে সেদিন আলোচনায় হয়। তাছাড়া সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন রিজার্ভ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করেছে কতটা কি ঋণ দেওয়া হচ্ছে এবং ঋণ পুনর্গঠন ইত্যাদি বিষয়ে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ