নয়াদিল্লি: আমফানের জের না কাটতেই এগিয়ে আসছে আরও এক ভয়াবহ সাইক্লোন। ইতিমধ্যেই সতর্কতা জারি হয়েছে উপকূলে। সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বহু মানুষকে সরিয়েও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

মৌসম ভবনের আপডেটে জানানো হল আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সাইক্লোনের চেহারা নেবে আরব সাগরে তৈরি হওয়া সেই নিম্নচাপ। আপাতত গোয়ার পঞ্জিম থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে সেই ঝড়।

মহারাষ্ট্র ও দক্ষিণ গুজরাত পেরিয়ে রায়গড় ও দমনে এই ঝড়ের প্রভাব পড়বে ৩ জুন বিকেলে।

আরব সাগরে ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে সেই সাইক্লোন নিসর্গ। এটি একটি ক্রান্তিয় সাইক্লোন। ইতিমধ্যে উপকূল এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। নিয়ে যাওয়া হয়েছে নিরাপদ জায়গায়।

করোনা নিয়ে গোটা দেশ কাবু। ভয়ঙ্কর অবস্থা মহারাষ্ট্র এবং গুজরাতে। আর এবার সেখানেই আছড়ে পড়তে চলেছে সাইক্লোন।

জানা জাচ্ছে, কেরল, উপকূলবর্তী কর্নাটক, গোয়া ও মহারাষ্ট্রের উপকূলবর্তী এলাকার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে আইএমডি। মহারাষ্ট্র উপকূল ও গোয়ার জন্য জারি রয়েছে কমলা সতর্কতা। আইমএমডি-র সাইক্লোন ওয়ার্নিং ডিভিশন জানিয়েছে, পূর্ব মধ্য আরব সাগর ও লাক্ষাদ্বীপে নিম্নচাপ ঘণীভূত হয়েছে, আগামী ১২ ঘণ্টায় তা আরও শক্তিশালী হবে। আর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শুরু হতে পারে ঘূর্ণিঝড়। ২ তারিখ থেকে তা উত্তরমুখী হবে, তারপর যাবে উত্তর-উত্তর পূর্ব দিকে। সেখান থেকে তা ঢুকতে উত্তর মহারাষ্ট্রে ও দক্ষিণ গুজরাত উপকূলে।

ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মহারাষ্ট্র ও গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তিনি।

সাইক্লোন আছড়ে পড়ার আগে প্রবল বৃষ্টি হবে বলেও জানা গিয়েছে। মুম্বই, থানে, রায়গড়, পালঘর, ভাপি, ভালসাদ, সুরাত, দিউ-দমন সহ একাধিক জায়গায় ওই বৃষ্টিপাত হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহারাষ্ট্র ও গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন বলেও জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.