নয়াদিল্লি: ফাঁসি রুখতেই কি তবে দেওয়ালে মাথা ঠুকে নতুন কোনও ছক কষছে নির্ভয়ার খুনি বিনয় শর্মা? ফাঁসির আসামিদের উপর কড়া নজর রাখেন তিহাড় জেলের ওয়ার্ডেন ইন-চার্জ। তিনিই নির্ভয়ার খুনি বিনয়কে দেওয়ালে মাথা ঠুকতে দেখেন৷ তড়িঘড়ি সেল খুলে গিয়ে তাঁকে আটকান তিনি। পরে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বিনয়কে।

দীর্ঘ টালবাহানার পরে ৩ মার্চ নির্ভয়াকে ধর্ষণ করে খুনে দোষী ৪ জনকে ফাঁসি দেওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। তিহাড় জেলেই রয়েছে ৪ অপরাধী। তিহাড়ের ৩ নম্বর সেলে বিনয় শর্মা দেওয়ালে মাথা ঠুকে নিজেকে জখম করার চেষ্টা করে। জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফাঁসির আসামিদের উপর কড়া নজর রাখেন ওয়ার্ডেন ইন-চার্জ। তিনিই বিনয়কে দেওয়ালে মাথা ঠুকতে দেখে তাকে আটকান। যদিও প্রাথমিক চিকিৎসার পরই বিনয়কে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

জেল সূত্রে জানা গিয়েছে, নিজেকে জখম করতে হাত ভাঙারও চেষ্টা করেছিল বিনয়। তার আইনজীবী জানিয়েছেন, মানসিকভাবে বিনয় অস্থির হয়ে পড়েছে। যদিও জেল কর্তৃপক্ষের দাবি, বিনয়ের মধ্যে এমন কোনও লক্ষণ তাঁরা দেখতে পাননি। তিহাড় জেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক মৃত্যু পরোয়ানা জারি হতেই জেলের ওয়ার্ডেন ও গার্ডদের সঙ্গে আক্রমণাত্মক ব্যবহার করছে চার অপরাধী। কখনও পরিবারের সঙ্গেও দেখা করতে চাইছে না তারা।

চার অপরাধীর সেলেই সিসি ক্যামেরা বসানো রয়েছে। সিসি ক্যামেরার মাধ্যমেই তাদেরউপর ২৪ ঘণ্টা নজর রাখা হচ্ছে। তবে সেই নজরদারি আরও বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৩ মার্চই ফাঁসি হবে নির্ভয়া খুনে চার দোষীর। ওই দিন সকাল ৬টায় চারজনেরই ফাঁসির নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এর আগেও একাধিকবার নির্ভয়ার ফাঁসির দিন নির্ধারিত হয়েও ফের বাতিল হয়ে গিয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি ফাঁসি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ৩১ জানুয়ারি সেই ফাঁসি স্থগিত হয়ে যায়।

তারও আগে ২২ জানুয়ারি ফাঁসি হওয়ার কথা ছিল। তবে রাষ্ট্রপতির দোষীদের আর্জি খারিজ করার পরই ফের ফাঁসির দিন ঘোষণা করা হয়। পরে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর অন্তত ১৪ দিন সময় দিতে হয় অপরাধীদের। সেই নিয়মেই ২২ তারিখ চার জনকে ফাঁসি দেওয়া যায়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.