নয়াদিল্লি: বিচার পেয়েছে নির্ভয়া। দেরি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু মিলেছে বিচার। ফাঁসি দেওয়া হল নির্ভয়ার চার ধর্ষক-খুনিদের। শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার সময় দিল্লির তিহার জেলে নির্ভয়া কাণ্ডের ৪ আসামিকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়। নির্ভয়ার মা, আশাদেবীর কাছে সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার খবর পৌঁছতেই তিনি জড়িয়ে ধরেছিলেন নির্ভয়া নামে পরিচিত তাঁর মেয়ের ছবিকে।

সুপ্রিম কোর্ট শেষ রায় জানানোর পরেই নির্ভয়ার ছবির দিকে তাকিয়ে থাকেন আশাদেবী। তারপর বলেন ‘আজ তোমার ন্যায় হল’। চার অভিযুক্তের ফাঁসি সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি বললেন , ‘আমরা এই লড়াইটা শুরু করেছিলাম যে দিন ও আমাদের ছেড়ে গিয়েছিল। তারপর সাত বছর তিন মাস ধরে লড়াই করেছি। আজ ন্যায় হল। তবে লড়াই শেষ নয়। দেশের প্রত্যেক নির্যাতিত মেয়ের জন্য আমাদের লড়াই চলবে’।

তবে ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য এই দীর্ঘদিনের অপেক্ষা যে খুব কষ্টকর ছিল তাও বলেছেন আশাদেবী। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, “আজ ন্যায় হল। তবে লড়াই শেষ নয়। দেশের প্রত্যেক নির্যাতিত মেয়ের জন্য আমাদের লড়াই চলবে।”

এদিন ভোর সোয়া তিনটে নাগাদ ঘুম থেকে তোলা হয় চার অভিযুক্তকে। চান করানো হয়। ফাঁসির জন্য তৈরি করা হয়। ধীরে ধীরে নিয়ে যাওয়া হয় ফাঁসি ঘরের দিকে। নিয়ে যাওয়ার পথে এক অভিযুক্ত মাটিতে শুয়ে পড়ে। তাকে টেনে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় ঘরে। শোনানো হয় মৃত্যু পরোয়ানা।

১২০ মিনিটের কাউন্টডাউন শেষে ফাঁসুড়ে পবন ট্রিগার টেনে একসঙ্গে চার অভিযুক্তের ফাঁসি দেয়। এরপর ৩০ মিনিট ফাঁসি কাঠে ঝুলতে থাকে দেহ। আধ ঘণ্টা পর কুয়োয় ফেলে দেওয়া হয় দেহ। পরীক্ষার পর চিকিৎসক জানান, মৃত্যু হয়েছে চার জনের। এরপর দেহ পাঠানো হয় পোস্ট-মর্টেমে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা