ভুবনেশ্বর: সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতি তৈরি আধুনিক ১০০০ পাল্লার সাব সনিক ক্রুজ ‘নির্ভয়’ মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ করল ভারত৷ ওড়িশা উপকূল থেকে এই মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ হয়৷ অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে তৈরি এই মিসাইলটি দূর পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র৷

নির্ভয় সাব সনিক লং রেঞ্জ ল্যাণ্ড অ্যাটাক ক্রুজ মিসাইল৷ ৩০০ কেজি যুদ্ধাস্ত্র বহনে সক্ষম এই মিসাইলটি৷ পরমাণু অস্ত্র বহনেও সক্ষম এই নির্ভয়৷ স্থলে থাকা যে কোনও লক্ষ্যবস্তুকে ১০০০ কিমি দূর থেকে নির্ভুল ভাবে আঘাত করতে পারে৷

এরোনট্যিকাল ডেভেলপমেন্ট এসটাব্লিশমেন্ট বা এডিই-র তত্ত্বাবধানে ও ডিআরডিও-র সহযোগিতায় এই মিসাইলটি তৈরি করা হয়েছে৷ এর সারফেস ভার্সনটি পরীক্ষা করা হয় ২০১৩ সালের ১২ই মার্চ৷ ওড়িশার বালাসোর জেলার চাঁদিপুর থেকে সেই পরীক্ষাটি করা হয়৷ তবে সেসময় নিজের পাল্লার ৩০ শতাংশ পথ অতিক্রম করতে পেরেছিল এই মিসাইলটি৷

গত মার্চেই পরপর তিনবার পিনাকা গাইডেড মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালায় ভারত। পোখরানে গত ১২ মার্চ মিসাইল পরীক্ষা করা হয়। এর আগে ১১ মার্চ পরপর দু’বার পরীক্ষা করা হয়। তিনবারই সফলভাবে মিসাইল উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।

ডিআরডিও-র তরফে বলা হয়েছে, তিনটি ট্রায়ালেই লক্ষ্যে গিয়ে আঘাত করতে পেরেছে মিসাইলটি। এই পরীক্ষায় পিনাকা তার ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। অত্যাধুনিক নেভিগেশন ও কন্ট্রোল সিস্টেম ব্যবহার করে এই পরীক্ষা করা হয়েছে। ‘তাত্রা’ ট্রাকের উপর থেকে ছোঁড়া হয় ওই মিসাইল।

এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসেই অত্যাধুনিক মিসাইলের পরীক্ষা করে ভারতীয় সেনা। ওডিশা উপকূল থেকে দু-দুটি মিসাইলের পরীক্ষা করে ভারত। মাটি থেকে আকাশে শত্রু ধ্বংস করতে এই মিসাইলগুলির পরীক্ষা করা হয়েছে। খুব দ্রুত এই মিসাইলগুলি শত্রুকে ধ্বংস করতে সক্ষম বলেও জানা গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, মিসাইলগুলি আকাশে রাখা কল্পিত শত্রুকে সফল ভাবে আঘাত করে৷ ভারতীয় সেনার জন্যে দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা অর্থাৎ ডিআরডিও এই মিসাইল তৈরি করেছে।