লন্ডন: অলংকার ও হীরা ব্যবসায়ী নীরব মোদীকে ভারতে প্রত্যাবর্তন করার নির্দেশ দিল লন্ডনের আদালত। পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত এই ব্যবসায়ী দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন। পিএনবি কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ভারতে নিয়ে আসার আর্জি জানানো হয়। সেই মামলার প্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ দিয়েছেন।

ওই আদালতের বিচারক স্যামুয়েল গুজি জানিয়েছেন, তিনি এই প্রতারণা এবং অর্থ পাচারের মামলার প্রাথমিক প্রমাণাদি দেখে সন্তুষ্ট। তিনি তাঁর রায় শোনানোর পাশাপাশি তার নির্দেশের কপি ইউকের সেক্রেটারি অফ স্টেট প্রীতি প্যাটেলের কাছে পাঠাচ্ছেন।এই বিচারক পাশাপাশি জানিয়েছেন , নীরব মোদী ষড়যন্ত্র করেছে প্রমাণ নষ্ট করার এবং সাক্ষীদের ভয় দেখিয়েছেন। তাছাড়া এই মামলার জন্য ভারতের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।ভারত -ইউকে প্রত্যার্পন চুক্তি অনুসারে ইউকের ক্যাবিনেট মন্ত্রী যিনি এই প্রত্যার্পন নির্দেশ দেওয়ার অধিকারী এবং হাতে দু মাস সময় পাবে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার।

সাধারণত স্বরাষ্ট্র সচিবের নির্দেশ আদালত যা বলে তার বিরুদ্ধে যায় না। তবে তিনি খতিয়ে দেখবেন প্রত্যার্পনের ক্ষেত্রে কোনরকম বাধা রয়েছে কিনা। তবে মন্ত্রক যাই সিদ্ধান্ত নিক না কেন এক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র সচিবের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর নীরব মোদী ১৪ দিন সময় পাচ্ছেন উচ্চ আদালতে আবেদন করার জন্য ।

তবে লন্ডনের আদালত জানিয়েছে, ভারতে প্রত্যার্পন করা হলেও নীরব মোদী বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন না।  বিচারক অবশ্য নীরব মোদীর মানসিক অবস্থা সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তা খারিজ করে দিয়েছেন। বরং জানিয়েছেন, কোন ব্যক্তির এমন অবস্থায় এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। অন্যদিকে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়েছে নীরব মোদীকে রাখা হবে মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলের ১২ নম্বর ব্যারাকে। ভিডিওসহ সেখানকার অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের সঙ্গে ১৩৫০০ কোটি টাকার প্রতারণা করে দেশ ছেড়ে পলাতক হিরে ব্যবসায়ী নীরব মোদী। সিবিআই এবং ইডি উভয়েরই খাতায় নীরব মোদী এখন ওয়ান্টেড । এদিকে অবশ্য ভারতে নীরব মোদীর বিভিন্ন সম্পত্তি একের পর এক বাজেয়াপ্ত করা শুরু করেছে ইডি। তার ফলে ইডি গত জুলাই মাসে মহারাষ্ট্র রাজস্থানের পাশাপাশি ইউএই এবং ব্রিটেনে মোট ৩২৯.৬৬ টাকার সম্পত্তি অ্যাটাচ করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।