নয়াদিল্লি: জেএনইউ কাণ্ডে ধীরে ধীরে জেগে উঠছে দিল্লি পুলিশ। সোমবার থেকেই জেএনইউতেই শুরু হচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদ। এই মর্মে ৯ জনের কাছে নোটিশও গিয়েছে বলে সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে। ওই ৯ জনকে সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

এর আগে ক্রাইম ব্রাঞ্চের তরফ থেকে জানা গিয়েছিল, জেএনইউ কাণ্ডের পর থেকে যে ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছিল তাতে মুখোশ ঢাকা যে ছাত্রীকে দেখতে পাওয়া গিয়েছিল তাঁকে চিহ্নিত করেছে দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল তদন্তে সহযোগিতা করার জন্য তাকে দ্রুত নোটিশ পাঠানো হবে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল এক মহিলা হাতে রড নিয়ে রীতিমত হুমকি দিচ্ছেন ছাত্রীদের। তার সঙ্গে দুজনকেও দেখা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে চিহ্নিত হওয়া ওই ছাত্রী দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া। তবে তার পরিচয় এখনও প্রকাশ্যে প্রকাশ করা হয়নি। তবে খুব সম্ভবত তাঁকে জেরার জন্য সোমবার ডেকে পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য, ৫ জানুয়ারী রবিবার সন্ধেয় আচমকা জেএনইউয়ে মুখে কাপড় বেঁধে ঢুকে পড়েছিল ৪০-৫০ জনের দুষ্কৃতীদের একটি দল। হাতে লোহার রড, লাঠি, বাঁশ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গার্লস হস্টেলে গিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। বেছে বেছে মারধর করার অভিযোগ উঠেছিল বাম সমর্থক ছাত্রছাত্রীদের। দুষ্কৃতীরা বেধড়ক মারধর করেছিল বাম ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী ঘোষকে। রডের ঘায়ে মাথা ফেটে গিয়েছিল ঐশীর। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল দিল্লির এইমসে। দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন জেএনইউয়ের অধ্যাপক সুচরিতা সেনও। গোটা গার্লস হস্টেল জুড়ে তাণ্ডব চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা।

আর সেই হামলার পরে ৮ দিন কেটে গেলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি দিল্লি পুলিশ। যারফলে তীব্র আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছিল পুলিশকে। আর এবার তদন্তে কিছুটা অগ্রগতি হওয়াতে আপাতত স্বস্তি তাঁদের জন্যও।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।