জেরুজালেম: গাজা-ইজরায়েল সীমান্তে ইজরায়েলি সেনার গুলির লড়াই অব্যহত৷ সেনার ছোঁড়া গুলিতে নতুন করে আরও ন’জনের মৃত্যু হয়েছে৷ তাদের মধ্যে এক চিত্র সাংবাদিক আছে বলে জানা গিয়েছে৷ প্যালেস্টাইনের স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে এক বিবৃতি দিয়ে এই খবর জানানো হয়েছে৷

আরও পড়ুন: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবার মেরিন ইউনিট চালু জাপানে

জানা গিয়েছে, ওই চিত্র সাংবাদিকের নাম ইয়াসার মুর্তাজা৷ তিনি স্থানীয় একটি সংবাদপত্রে কাজ করতেন৷ গাজা-ইজরায়েল সীমান্তে চলা বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন৷ গায়ে প্রেস স্টিকার লাগানো পোশাকও পড়েছিলেন৷ কিন্তু তারপরেও তাঁর উপর গুলি বর্ষণ করা হয়৷ এই বিষয়ে ইজরায়েল সরকারের তরফ থেকে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি৷

এদিনের ঘটনায় আহত হয়েছেন প্রায় ৫০০ ফিলিস্তিনি৷ যার মধ্যে ৩৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক৷ সব মিলিয়ে এখনও অবধি ইজরায়েলের সেনার গুলিতে ৩১ জন মারা গিয়েছে৷ জানা গিয়েছে, গাজা-ইজরায়েল সীমান্তে এখনও প্রায় ২২ হাজার ফিলিস্তিনি জড়ো হয়েছেন৷ গত ৩০ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে গাজা-ইজরায়েল সীমান্তে তাদের বিক্ষোভ৷ আগামী ১৫মে পর্যন্ত চলবে এটি৷

আরও পড়ুন: মহাকাশে ভাসমান হোটেলে পৃথিবী ঘুরে আসুন ১২ দিনে

১৯৪৮ সালে ইজরায়েলের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় যারা বাড়ি ঘর ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন তাদের বংশধরদের প্রবেশের অধিকার দেওয়া হোক৷ এই দাবি জানিয়ে ৩০ মার্চ থেকে গাজা সীমান্তে বিশাল জমায়েত শুরু হয়েছে৷ বিদ্রোহ দমনে টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপের সঙ্গে গুলি চালায় ইজরায়েলি সেনারা৷

রাষ্ট্রসংঘ শুরু থেকেই ইজরায়েলকে গুলি চালানো থেকে বিরত থাকতে বললেও, তারা তা শুনছে না বলে অভিযোগ৷ নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের বড়জোর ‘পাথর নিক্ষেপ’-এর বিপরীতে গুলি চালানো মোটেই ভারসাম্যপূর্ণ নয় বলে মন্তব্য করেছে রাষ্ট্রসংঘ৷ অপরদিকে আত্মপক্ষ সমর্থনে ইজরায়েল সেনাবাহিনীর দাবি, ফিলিস্তিনের ‘জঙ্গি সংগঠন হামাস’-এর সশস্ত্র কর্মীদেরই শুধু তারা গুলি করেছে৷