কলকাতা: মুর্শিদাবাদের নিমতিতা স্টেশনে বিস্ফোরণকাণ্ডে ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দু’জনেই বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি পুলিশের।

মুর্শিদাবাদের নিমতিতায় বোমা বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন রাজ্যের মন্ত্রী জাকির হোসেন। নিজের বিড়ি কারখানা থেকে বের হওয়ার পরেই আক্রান্ত হন শ্রম প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। নিমতিতা স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে মন্ত্রীকে লক্ষ্য করেই বোমা ছোড়া হয়। জাকির হোসেনের সঙ্গে যাঁরা ছিলেন, তাঁরাও গুরুতর আহত হয়েছেন বোমাবাজিতে।

গুরুতর আহত অবস্থায় মন্ত্রীকে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরে তাঁকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে কলকাতায় এসএসকেএমে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে অস্ত্রোপচারের পর এসএসএকেমএ চিকিৎসাধীন মন্ত্রী জাকির হোসেন। আপাতত স্থিতিশীল রয়েছেন তিনি। তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির খোঁজ নিতে এসেএসকেএম গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রীর পাশাপাশি তাঁর দেহরক্ষীকেও এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর শরীরে স্প্লিন্টারের আঘাতের মাত্রা বেশি। মন্ত্রী জাকির হোসেন ছাড়াও বোমা বিস্ফোরণে আহত বেশ কয়েকজন ভর্তি রয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালে।

তাঁদেরও শারীরিক পরিস্থিতির খোঁজ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কথা বলেছেন চিকিৎসকদের সঙ্গেও। সিআইডি এই বোমাবাজির ঘটনার তদন্তভার হাতে নিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ দুজনকে আটক করা হয়েছে। ওই দুজনকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আটকদের জিজ্ঞাসাবদ করে ঘটনার কিনারা করতে তৎপরতা নিয়েছেন তদন্তকারী অফিসাররা। তবে নিমতিতা-বিস্ফোরণকাণ্ডে আটক ২ জন সম্পর্কে এখনই বিস্তারিতভাবে কিছু জানাতে রাজি নন তদন্তকারী অফিসাররা। আপাতত

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যেরই এক মন্ত্রীর উপর এই বোমাবাজির ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও পরিকল্পনামাফিক বলে অভিযোগ করেছেন। রীতিমতো প্ল্যান করে জাকির হোসেনের উপর হামলা হয়েছে বলে দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অন্যদিকে, বিধানসভা ভোটের মুখে রাজ্যেরই এক মন্ত্রীর উপর বোমাবাজির ঘটনায় রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী বাম-কংগ্রেস। একইভাবে বিজেপিও ভোটের মুখে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে হাতে গরম ইস্যু পেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন সরকারকে বিঁধে সরব হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.