পানাগড়: পশ্চিম বর্ধমানের পানাগড়ের সেনাবাহিনীর এলাকা চিহ্নিতকরণ করতে শুরু তৎপরতা। সেনার এলাকা ঘেরার জন্য পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসনের মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে জটিলতা তৈরি হয়। সেই জটিলতা কাটাতে সোমবার দুই জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় বৈঠক হল।

পানাগড়ে সেনাবাহিনীর এলাকার সীমানা নির্ধারণ করতে পশ্চিম ও পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের মধ্যে একাধিক বিষয়ে জটিলতা তৈরি হয়। জটিলতা কাটাতে সোমবার বৈঠকে বসেন দুই জেলার প্রশাসনিক কর্তারা। উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে হাজির ছিলেন সেনার কর্তারাও। বৈঠকে ছিলেন পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডেপুটি কমিশনার সন্দীপ কাররা, সেনাবাহিনীর কর্নেল সুরজিত সিং, বুদবুদ থানার ওসি-সহ পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী-সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

প্রশাসনিক স্তরে এদিনের বৈঠক শেষে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী জানিয়েছেন, পানাগড় এলাকার সেনাবাহিনী তাদের নিজস্ব এলাকাকে ঘিরে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই ৭০ শতাংশ সার্ভের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। গোটা এলাকাকে ঘিরে দেবেন তাঁরা। কিন্তু এরই মাঝে একটি সমস্যাও দেখা দিয়েছে। সেনাবাহিনীর এই এলাকার মধ্যেই রয়েছে পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসা ২নং ব্লকের এবং গলসি ১নং ব্লকের প্রায় ৭টি গ্রাম। ওই এলাকার মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্কুল, আই.সি.ডি.এস সেন্টার। রয়েছে গ্রামীণ রাস্তা, সেচের ক্যানেল, কবরস্থান প্রভৃতি।

জেলাশাসক জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ৪টি স্কুলকে স্থানান্তর করা হয়েছে। কিন্তু গ্রামীণ রাস্তাগুলি দীর্ঘকাল ধরে স্থানীয়রা ব্যবহার করছেন। সমস্যা তৈরি হয়েছে ওই এলাকার মধ্যে থাকা কবরস্থানগুলি নিয়েও। এদিনের বৈঠকে প্রয়োজনে জমি হস্তান্তরের বিষয়টিরও উল্লেখ করা হয়েছে। সমস্যা যতই থাক আলোচনার মাধ্যমেই তা কাটিয়ে ওঠা যাবে বলে জানিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।