সাইবারি কারবারে জেরবার অবস্থা টলিউডের মিউজিক কম্পোজার থেকে অভিনেতা অভিনেত্রীদের। একের পর এক হয় ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নয় ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট হয়ে যাচ্ছে সাইবার হ্যাকারদের হস্তগত। কয়েকদিন আগে সাইবার হ্যাকারদের কবলে পরে মিউজিক কম্পোজার জয় সরকারের পেজ। তৎক্ষণাৎ নিজের পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট থেকে তিনি সে কথা জানিয়ে দেন।

তারপর অভিনেত্রী মানালি দের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট হঠাৎই হ্যাকড হয়ে যায়। সে খবর তিনিও বাধ্য হয়ে জানায় তাঁর পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট থেকে। সেই সময় অভিনেত্রী, পরিবারের সঙ্গে শান্তিনিকেতন বেড়াতে গিয়েছিলেন। আচমকাই কোনো রকম মেল ছাড়াই তিনি দেখেন, তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে সমস্ত নাম ও তথ্য ডিলিট হয়ে গেছে।

তিনি সাথে সাথেই উপলব্ধি করতে পারেন তিনিও সাইবার হ্যাকারদের শিকার। অভিনেত্রী মানালি দে সেই মুহূর্তে কিছুটা ভীত আতঙ্কিত হয়ে যান। মানালির অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে তাঁর সমস্ত ছবি উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে । ফলোয়ার্স তালিকাও ফাঁকা।সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ দায়ের করে ছিল অভিনেত্রী মানালি দে।

এবার হ্যাক করা হয়েছে তৃণমূলের অভিনেত্রী-সাসংদ নুসরতের স্বামী নিখিল জৈনের দু’টি ব্যবসায়িক ব্র্যান্ডের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট । ওই দু’টি অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ ব্যবসায়িক উদ্দেশে শাড়ি এবং পোশাক বিক্রির জন্য ব্যবহার করা হত। অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে সমস্ত পোস্টার এবং ফটোশ্যুটের সমস্ত ছবি মুছে দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, নিখিলের ওই দু’টি বাণিজ্যিক ব্র্যান্ডের প্রধান মুখ ছিলেন অভিনেত্রী-সাংসদ নুসরত। কিন্তু এ প্রসঙ্গে নিখিল বলেছেন , এ বার নতুন ডিজাইন নিয়ে নতুন মুখকে আনা হচ্ছে তাঁর শাড়ির ব্র্যান্ড ‘রং গোলি’ । সেই কারণে তিনি দিল্লিতে ব্যস্ত ছিলেন।

পুলিশের ডাক পেয়ে অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড বদল এবং সেই সংক্রান্ত সইসাবুদের জন্য তিনি কলকাতা ফিরেছেন। শনিবার আবার ব্যবসার কারণেই দিল্লি চলে যাবেন। তবে নিখিলের বক্তব্য অর্থের বিনিময়ে কাউকে ওই কাজ করতে নিযুক্ত করা হয়েছিল। তবে কে বা কারা এর জন্য দায়ী ছিল তা জানা যায়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।