লাদাখ : লাদাখের প্যাংগং থেকে সেনা সরালেও চিন যে এত সহজে সীমান্তে দখলদারি মনোভাব ছেড়ে দেবে, তা নয়। সিন্থেটিক অ্যাপারচার রাডার বা এসএআর চিত্র (Night-time satellite images) হাতে এসেছে ভারতের। দেখা গিয়েছে ডেপসাং এলাকায় নয়া নির্মাণ কাজ শুরু করেছে চিন। রাতের অন্ধকারে কাজ চলছে সেখানে। একাধিক ছাউনি তৈরি করেছে চিনা সেনা বলে উপগ্রহ চিত্র (satellite images) জানাচ্ছে (images show Chinese buildup)।

ভারতের সর্বোচ্চ এয়ারবেস দৌলত বেগ ওল্ডি থেকে মাত্র ২৪ কিমি দূরেই রয়েছে চিনা সেনার টিয়ানওয়েনডিয়ান বর্ডার আউটপোস্ট। আকসাই চিনের এই পোস্টে সারা বছর নজরদারি চলে। ১৯৬২ সালে এই পোস্টটি তৈরি করা হয়। তবে অতি সম্প্রতি এখানেই বেশ কিছু নয়া নির্মাণ তৈরি করতে শুরু করেছে চিন বলে সূত্রের খবর। তৈরি হচ্ছে ক্যাম্প, গাড়ি রাখার জায়গা, মজুত করা হচ্ছে অস্ত্র। অস্ত্র রাখার তাঁবুও তৈরি করা হয়েছে বলে চিত্র জানাচ্ছে।

এই এলাকায় চিনের বেস ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বেশ কয়েকটি গাড়িও নজরে এসেছে। ডেপসাং সেক্টরে চিনা সেনার আনাগোনা হতে পারে মে মাসেই এই খবর পেয়েছিল ভারতীয় সেনা। সেখানে নজরদারিও চলছিল। উল্লেখ্য ২০১৩ সালে প্রথম এই সেক্টরে চিনা সেনার অনুপ্রবেশ ঘটে। এদিকে, বুধবারই সীমান্তের উত্তাপ মেটাতে ওয়ার্কিং মেকানিজম ফর কনসালটেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন অন ইন্ডিয়া চায়না বর্ডার অ্যাফেয়ার্স (ডব্লুএমসিসি) প্রজেক্টের আওতায় এই আলোচনা শুরু করে দুই দেশ।

২০১২ সালে এই প্রকল্পতে অঙ্গীকার করে নয়াদিল্লি ও বেজিং। ডব্লুএমসিসি তৈরি হয়েছিল দুদেশের সম্পর্কের মধ্যে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখার জন্য। যাতে কোনও সংকট তৈরি হলে, দ্রুত কথা বলা বা আলোচনার বাতাবরণ তৈরি করা যায়। সূত্রের খবর, লাল চিনের ফৌজ গ্রীষ্মকালীন যুদ্ধপ্রস্তুতি শুরু করেছে পূর্বদিকে। জিংজিয়াং থেকে তিব্বত সংযোগকারী রাস্তায় অনেক সেনা মোতায়েন এবং অস্ত্র সাজিয়েছে লাল চিন এবং ক্রমশ তা ভারতের দিকে এগিয়ে আসছে। বড় সংখ্যার ট্রাক দিয়ে কাছাকাছি সব এয়ারফিল্ড যা মিলিটারি বেসে পরিণত করা হচ্ছে সেদিকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.