বেঙ্গালুরু: করোনা রোধে এবার নাইট কার্ফুয়ের পথে হাঁটল আরও এক রাজ্য। কর্ণাটকে ৪ মে পর্যন্ত নাইট কার্ফু ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি উইকএন্ডেও চলবে কার্ফু। শুক্রবার রাত ৯টা থেকে শুরু হবে এই কার্ফু। চলবে সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত। এছাড়া ২১ এপ্রিল থেকে ৪ মে পর্যন্ত সপ্তাহের অন্য়ান্য দিন রাত ৯টা থেকে পরের দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত চলবে কার্ফু।

কর্ণাটকে ক্রমশ বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। মহারাষ্ট্র, দিল্লি, পঞ্জাব, উত্তর প্রদেশের মতো এই রাজ্য়ের অবস্থাও শোচনীয়। তাই এবার সংক্রমণ এড়াতে নাইট কার্ফুয়ের পথে হাঁটল রাজ্য। রাজ্যে করোনা সংক্রমণ প্রায় ১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন মুখ্যন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা। তিনি দ্বিতীয়বারের জন্য করোনা আক্রান্ত হলেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে ভর্তি। হাসাপাতাল থেকেই তিনি ভার্চুয়ালি সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত হয়।

ইতিমধ্যেই তেলাঙ্গানায় শুরু হয়েছে নাইট কার্ফু। মঙ্গলবার সকালেই নাইট কারফিউ জারির ঘোষণা করে তেলেঙ্গনা সরকার। রাত ৯টা থেকে রাজ্যজুড়ে নাইট কারফিউ জারির ঘোষণা করা হয়েছে। রাত ৯টা থেকে শুরু হয়ে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত নাইট কারফিউ চলবে। ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত লাগু হয়েছে। আগামী ১ মে পর্যন্ত গোটা রাজ্যে নাইট কারফিউ লাগু থাকবে বলে জানানো হয়েছে। নাইট কারফিউ চলাকালীন বাকি সব বন্ধ থাকলেও জরুরি পরিষেবাকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। করোনার সংক্রমণ মোকাবিলায় লকডাউন না কারফিউ কোনটা জারি করতে চায় সরকার? সোমবারই এই প্রশ্ন তোলেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিমা কোহলি ও বিচারপতি বি বিজয়সেনের বেঞ্চ। এরপরই এমন সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার।

এছাড়া উত্তর প্রদেশে জারি হয়েছে উইকএন্ড লকডাউন। দিল্লিতে সপ্তাহব্যাপী লকডাউন জারি হয়েছে। ঝাড়খণ্ডও সেই দিকেই এগোচ্ছে। মহারাষ্ট্র সম্পূর্ণ লকডাউনের পথে যাবে কিনে এ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে বুধবার। এই রাজ্যে যে হারে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে তাতে কড়া লকডাউনের আবেদন করেছেন রাজ্যের মন্ত্রিসভা। যদিও প্রধানমন্ত্রী মোদী লকডাউনের বিপক্ষে। রাজ্যগুলিকে লকডাউন না করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে রাজ্যগুলি লকডাউনের পথে হাঁটতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.