বেঙ্গালুরু: রাজ্যের মোট ৭ টি শহরে এবার নাইট কার্ফুর ঘোষণা করল কর্ণাটক সরকার। বেঙ্গালুরু ও আরও ৬ টি শহরে এই নাইট কার্ফুর নিদান দেওয়া হয়েছে। শনিবার থেকেই এই সাতটি শহরে নাইট কার্ফু চালু হতে চলেছে। বৃহস্পতিবার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের কোভিড মোকাবিলায় আরও সচেষ্ট ও সতর্ক হতে অনুরোধ করার পরেই কর্ণাটকে এ ঘোষণা করা হল।

২০ এপ্রিল অবধি এই নাইট কার্ফু চলবে বলে জানিয়েছেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পা। মুসৌরি, ম্যাঙ্গালুরু, কালাবুরাগি, বিদার, তামাকুড়ু, মণিপলেও রয়েছে এই নাইট কার্ফুর অর্ডার। তবে এক্ষেত্রে নিত্য প্রয়োজনীয় পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আরও খবর পড়ুন – ফেসবুক মেমোরিতে অস্বস্তির পোস্ট, তেলের দামে প্রতিবাদী মোদী, অভিষেকের ‘বড়দা’ শুভেন্দু

উল্লেখ্য, যে রাজ্যগুলিতে পুনরায় করোনা দাপট দেখাতে শুরু করেছে তার মধ্যে রয়েছে কর্নাটকও। মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, দিল্লি, তামিলনাডু, গুজরাত, কেরল, পঞ্জাব ও কর্নাটক এই রাজ্যগুলিতে রোজ সংক্রমণের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। আর তাই করোনা রুখতে কড়া হচ্ছে একাধিক রাজ্য প্রশাসন।

অন্যদিকে দেশ যে এখনই সম্পূর্ণ লকডাউনের পথে হাঁটতে চাইছে না, এদিনের বৈঠকে একথা স্পষ্ট করেছেন নমো। তিনি জানান, মাইক্রো কন্টেনমেন্ট জোনের দিকে নজর দেবে সরকার। অর্থাৎ অত্যাধিক সংক্রামিত এলাকাগুলিকে কন্টেনমেন্ট জোন করে বিচ্ছিন্ন করার কথাই ভাবা হচ্ছে।

আরও খবর পড়ুন – বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, দামী গাড়ি… দেখুন বিজেপির তারকা প্রার্থী পায়েলের সম্পত্তির পরিমাণ

সাধারণ মানুষকে আশ্বাস দিয়ে মোদী বলেন, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সব ব্যবস্থা এখন আমাদের রয়েছে। এমনকি এখন ভ্যাকসিনও রয়েছে। তবে একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের ওপর ক্ষোভও প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগের তুলনায় মানুষ এখন অনেক বেশি অসতর্ক হয়ে উঠেছে।

করোনাকে রোধ করতে গেলে যে করোনা পরীক্ষার ওপরেও জোর দিতে হবে, সেকথাও জানিয়েছেন মোদী। তিনি বলেন, প্রাথমিক লক্ষণগুলিতে আমাদের ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত। তিনি বলেন, “আমাদের টেস্টিং-এর সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে। যে করেই হোক পজিটিভিটি রেটকে ৫ শতাংশের নীচে আনতেই হবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।