জয়পুর: নোভেল করোনাভাইরাসের তাণ্ডব রাজস্থানেও। হু-হু করে বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজস্থানের ৮ জেলায় নাইট কার্ফু জারি করার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। রাজস্থানের জয়পুর, যোধপুর, কোটা, বিকানির, উদয়পুর, আজমেড়, আলওয়ার, ভিলওয়ারা জেলায় নাইট কার্ফু জারি করেছে অশোক গেহলটের সরকার। এই জেলাগুলিতে রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত নাইট কার্ফু জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাকাল দশা একাধিক রাজ্যে। দিল্লি, গুজরাত, মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ-সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে হাজার-হাজার মানুষ প্রতিদিন করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু।

রাজস্থানেও করেনার সংক্রণ উদ্বেগ বাড়িয়েছে অশোক গেহলটের সরকার। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় শনিবার রাতেই বৈঠকে বসেছিলেন গেহলট। সেই বৈঠকেই রাজ্যের ৮ জেলায় নাইট কার্ফু জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত ২৪ ঘন্টায় রাজস্থানে নতুন করে ৩ হাজারেরর বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শনিবার রাত পর্যন্ত রাজস্থানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ লক্ষ ৩৭ হাজার ৬৬৯। মরুরাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ১৩০।

রাজধানী জয়পুর, যোধপুর, কোটা, বিকানির, উদয়পুর, আজমেড়-সহ ৮টি জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হু-হু করে বাড়ছে। ক্রমশ পরিস্থিতি বিপজ্জনক আকার নিচ্ছে। রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ওই ৮টি জেলায় নাইট কার্ফু জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। ওই জেলাগুলিতে সন্ধে ৭টার মধ্যে দোকান-বাজার ও অন্য শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.