লখনউ: সপ্তাহ দুয়েক আগে জঙ্গি যোগের অভিযোগে এক মৌলানাকে গ্রেফতার করেছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। সেই মৌলানাকে নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে মাদ্রাসায় তল্লাশি চালাল এনআইএ। যার জেরে সমগ্র এলাকায় ছড়ান উত্তেজনা।

ঘটনাটি উত্তর প্রদেশের আমরাহো এলাকার। ওই এলাকার জামা মসজিদ সংলগ্ন মাদ্রাসায় অভিযান চালায় এনআইএ। এদিন বিকেলে আমরাহো পুলিশ সুপারের অফিসে চারটে গাড়িতে করে পৌঁছে যায় এনআইএ-র বিশেষ দল।

স্থানীয় নগর কোতওয়ালি ও দেহটি থানার পুলিশ এবং পুলিশ সুপার ডাঃ বিপিন টাডাকে সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় এনআইএ। সিও সদর জীতেন্দ্র সিং-এর নেতৃত্বে ওই দল বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ ওই মাদ্রাসায় পৌঁছায়।

উল্লিখিত মাদ্রাসায় চারটি গেট র‍্যেছে। ঢুকেই ওই সকল গেট বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় এনআইএ। প্রতিনিধিদলটি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এবং মাদ্রাসার কর্মীদের কথা বলে। মাদ্রাসার পড়ুয়াদের সঙ্গেও কথা বলেন এনআইএ কর্তারা।

কিন্তু কেন এই অভিযান? এই বিষয়ে এনআইএ-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে গত দুই সপ্তাহ আগে জংগি সন্দেহে মৌলানা গুফরান নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। জেরায় সে জানায় যে গ্রেফতারের আগে সে এই মাদ্রাসাতেই ছিল। সেই কারণেই ধৃত গুরফানকে নিয়ে মাদ্রাসায় অভিযান চালানো হয়েছে।

জঙ্গি যোগের অভিযোগে মাদ্রাসা থেকে গ্রেফতারের ঘটনা নতুন কিছু নয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরনের বহু ঘটনার উদাহরণ রয়েছে। মৌলানা গুরফানের গ্রেফতারের পরে সন্দেহের তালিকায় উঠে এসেছে আমরাহোর জামা মসজিদের এই মাদ্রাসা। জঙ্গিবাদের শিকড় কতটা গভীরে গিয়েছে সেই নিয়েই তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ।